Jagonews24
পঞ্চগড় সীমান্তে পুশইন চেষ্টার শিকার নারী ও শিশুসহ দুই পরিবারের ১০ জনকে অবশেষে ফেরত নিয়েছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। সোমবার (৭ জুন) সকালে নীলফামারীর ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, রোববার (৭জুন) দিনগত রাতে জিরো লাইনে তিন দিন ধরে আটকে থাকা এই ব্যক্তিদের ভারতের অভ্যন্তরে ফেরত নিয়ে যায় বিএসএফ। বিজিবি ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দিনগত রাতে নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতাধীন পঞ্চগড় উপজেলা সদরের হাড়িভাসা ইউনিয়নের বড়বাড়ী সীমান্তের মেইন পিলার ৭৫৮ এর ৫ নম্বর সাব পিলার এলাকা দিয়ে ওই ১০ জনকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। পরে শুক্রবার ভোরের দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় বিজিবির বাধার মুখে পুশইনের শিকার দুই পরিবারের ১০ জন বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তের শূন্য রেখায় অবস্থান নেন। তাদের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ, তিনজন নারী এবং দুইজন শিশু ছিল। সীমান্তের শূন্য রেখায় তিনদিন অমানবিক অবস্থানের পর ভারতের ৯৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের টিয়াপাড়া ক্যাম্পের সদস্যরা রোববার মধ্যরাতে সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার বাতি নিভিয়ে তাদের ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যান বলে জানান স্থানীয়রা। বড়বাড়ী সীমান্তের প্রধান পাড়া এলাকার দবিরুল ইসলাম জানান, তিন দিন ধরে সীমান্তের জিরো লাইনে তারা অমানবিক কষ্ট করছিল। রাতে ঝড় বৃষ্টি আর দিনের প্রচণ্ড রোদ ও গরমে তাদের অনেক কষ্ট হয়েছিল। এ ঘটনায় বিজিবি-বিএসএফের মুখোমুখি অবস্থানের কারণে আমাদের মধ্যেও আতঙ্ক ছিল। অবশেষে গতরাতে সীমান্তের বাতি নিয়ে দেশে সদস্যরা তাদের নিয়ে যায়। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক। লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, রোববার দিনগত রাত ২টার পর বিএসএফ শূন্য রেখা থেকে তাদের সরিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যান। সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। বাড়তি সতর্কসহ পুশইন বা যে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সদস্যরা তৎপর রয়েছেন। সফিকুল আলম/কেএইচকে/এএসএম
Go to News Site