Somoy TV
টিকার সুফলে হামে নতুন ভর্তি কমলেও জটিল রোগীদের নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা। হামের সঙ্গে অ্যাডিনো ও বোকা ভাইরাসের সংক্রমণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। এতে ভয়াবহ নিউমোনিয়ায় বিকল হচ্ছে শিশুর ফুসফুসের টিস্যু, অবস্থা হচ্ছে সংকটাপন্ন।এখনও উৎকন্ঠা আর আহাজারি হাসপাতালের হাম ওয়ার্ড জুড়ে। রাজধানীর শিশু হাসপাতালে হামে নতুন রোগীর সংখ্যা কমলেও শঙ্কায় দিন পার করছেন দীর্ঘদিন জটিল অবস্থায় ভর্তি থাকা শিশুর অভিভাবকরা। শুরুতে সাধারণ জ্বর-সর্দি থেকে নিউমোনিয়া, এরপর ফুসফুসের সংক্রমণ। এতেই কাবু হচ্ছে শিশুরা আর সুস্থ হতেও সময় লাগছে বেশি। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, টিকার সুফলে নতুন রোগী কমলেও, জটিল রোগীদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মারাত্মক নিউমোনিয়ায় বিকল হচ্ছে শিশুর ফুসফুসের টিস্যু। আরও পড়ুন: হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু তিনি আরও বলেন, এছাড়া নতুন করে শঙ্কা বাড়াচ্ছে অ্যাডিনো ও হিউম্যান বোকা ভাইরাসের সংক্রমণ। যার কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। হাম পরবর্তী জটিলতা থেকে শিশুকে সুরক্ষা দিতে সুস্থ হওয়ার পরও অন্তত দেড় মাস বিশেষ সচেতনতার মধ্যে রাখার পরামর্শ চিকিৎসকদের। রোববার (৭ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ২৮৭ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। আরও পড়ুন: চলতি মাসেই হামের প্রকোপ কমার ইঙ্গিত চিকিৎসকদের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫২৯টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯১টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬২০টি শিশু মারা গেছে।
Go to News Site