Collector
৯৩ লাখ পশু কোরবানি, চামড়া সংগ্রহ নামতে পারে ৭০ লাখে | Collector
৯৩ লাখ পশু কোরবানি, চামড়া সংগ্রহ নামতে পারে ৭০ লাখে
Jagonews24

৯৩ লাখ পশু কোরবানি, চামড়া সংগ্রহ নামতে পারে ৭০ লাখে

দেশে এবারের ঈদুল আজহায় ৯৩ লাখের বেশি পশু কোরবানি হলেও চামড়া সংগ্রহ নেমে আসতে পারে প্রায় ৭০ লাখ পিসে। ট্যানারি মালিকদের একাংশের দাবি, ছাগলের বিপুল পরিমাণ চামড়া নষ্ট হওয়া, লবণ ব্যবহার না করা এবং দেরিতে বিক্রির কারণে সংগ্রহ কমতে পারে। তবে চামড়া খাতের অন্য অংশ মনে করছে, শেষ পর্যন্ত সংগ্রহ গত বছরের ৯১ লাখ পিসের কাছাকাছিও থাকতে পারে। এদিকে, ঈদুল আজহার প্রথম দুদিনে ঢাকার সাভারের চামড়া শিল্পনগরীতে প্রায় ছয় লাখ পিস চামড়া সংগ্রহ হয়েছে। গত শনিবার থেকে চামড়া শিল্পনগরীতে ঢাকার বাইরে থেকে চামড়া আসা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। আরও পড়ুনচামড়া সংগ্রহ ঘিরে কর্মব্যস্ত পোস্তা, দাম নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য‘সরকার শুধু দামই ঠিক করে, চামড়াতো আর কেনে না’চামড়ার ন্যায্য দাম না পাওয়া, সচেতনতার ঘাটতি দেখছেন বাণিজ্যমন্ত্রীসিন্ডিকেটের সঙ্গে নতুন কারসাজির নাম ‘করোনা-পক্স’ জানতে চাইলে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) চেয়ারম্যান মো. শাহীন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমাদের ধারণা, এবার প্রায় ৮০ লাখের মতো পশু কোরবানি হয়েছে। সাভারের চামড়া শিল্পনগরীতে এখন পর্যন্ত মূলত ঢাকার চামড়াগুলোই এসেছে। ঢাকার বাইরের চামড়া আসা শুরু হয়েছে, তবে বড় পরিসরে আসতে আরও দুই-চার দিন সময় লাগবে। এখন পর্যন্ত সাভারের শিল্পনগরীতে প্রায় ছয় লাখ পিস চামড়া এসেছে।’ ‘৮০ লাখ পশুর মধ্যে ৫০ লাখ গরু এবং প্রায় ৩০ লাখ ছাগল ও অন্যান্য পশু কোরবানি হয়েছে। ফলে আমরা ধারণা করছি, গরুর প্রায় ৪৮ লাখ পিস চামড়া সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। আর ছাগলের অর্ধেকের বেশি চামড়া নষ্ট হয়ে গেছে। ছাগলসহ অন্যান্য পশুর ৩০ লাখ পিস চামড়ার মধ্যে অনেক চামড়া নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ১৫ থেকে ২০ লাখ পিস সংগ্রহ করা যাবে।’ বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) চেয়ারম্যান মো. শাহীন আহমেদ, ছবি: সংগৃহীত বিটিএ চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘এ বছর গরুর প্রায় ৪৮ লাখ পিস এবং ছাগলের ১৫ থেকে ২০ লাখ পিস ধরলে ৬৩ থেকে ৬৮ লাখ পিস অর্থাৎ প্রায় ৭০ লাখ পিস চামড়া সংগ্রহ হতে পারে। গত বছর প্রায় ৯১ লাখ পিস চামড়া সংগ্রহ হয়েছিল। সে তুলনায় এবার কোরবানির সংখ্যা যেমন কিছুটা কম হয়েছে, তেমনি সংগ্রহও কম হতে পারে।’ জানতে চাইলে বিটিএর সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও সালমা ট্যানারির স্বত্বাধিকারী মো. সাখাওয়াত উল্লাহ জাগো নিউজকে বলেন, ‘এবার ঈদের দিন ও ঈদের পরের দিন মিলিয়ে সাভারের চামড়া শিল্পনগরীতে প্রায় ৫ লাখ ৪১ হাজার পিস কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণ করা হয়েছে। এছাড়া ঢাকার বাইরেও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চামড়া সংগ্রহ কার্যক্রম মোটের ওপর ভালো হয়েছে। বিচ্ছিন্নভাবে অল্প কিছু চামড়া নষ্ট হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য আমাদের কাছে আসেনি।’ বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মো. সাখাওয়াত উল্লাহ, ছবি: সংগৃহীত কোটি পিস চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য থাকলেও কেন সংগ্রহ কম হবে এর কারণ জানতে চাইলে মো. সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, ‘কিছু চামড়া নষ্ট হয়েছে। এখনও পুরোপুরি চামড়া আসা শুরু হয়নি। আমরা মনে হয় না, চামড়া সংগ্রহ গতবারের চেয়ে কম হবে। ছাগলের কিছু চামড়া নষ্ট হওয়ার কারণে মনে করা হচ্ছে, চামড়া সংগ্রহ কিছুটা কম হবে।’ ‘আমাদের ধারণা ছিলো প্রতিবছর কোরবানি আট থেকে দশ শতাংশ হারে বাড়ে। আমরা ধারণা করেছিলাম এক কোটি পিস চামড়া সংগ্রহ করতে পারবো। গত বছর ৯১ লাখ পিস চামড়া সংগ্রহ হয়। পাঁচ থেকে ছয় শতাংশ বাড়লেও সেটি হয়তো ৯৮ বা ৯৯ লাখ পিস হয়ে যেতো। কিন্তু কোরবানিতে তূলনামূলক সেভাবে প্রবৃদ্ধি হয়নি। কিছুটা বাড়লেও সেটি প্রায় গতবছরের কাছাকাছিই হয়েছে।’ বলছিলেন সাখাওয়াত উল্লাহ। আরও পড়ুনদিনভর অপেক্ষার পর নদীতে ফেলা হলো কোটি টাকার চামড়াসাভারে ট্যানারিতে ব্যস্ত শ্রমিকরা, তিন দিনে ঢুকেছে ৫ লাখ চামড়া‘সিন্ডিকেট করে ৫০-২০০ টাকার বেশি দাম দিতে চায়নি’সড়কেই ফেলে রাখা হলো চামড়া চামড়ার দাম না পাওয়ার কারণ কী? সরকার এ বছর চামড়ার দাম বাড়ালেও বাজারে কম দামেই বিক্রি হয়েছে। বড় গরুর চামড়াও ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কোথাও দাম ছিলো আরও কম। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিটিএর সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মো. সাখাওয়াত উল্লাহ জাগো বলেন, ‘ট্যানারি মালিকরা মূলত লবণযুক্ত চামড়া সংগ্রহ করে থাকেন। তবে ঈদের দিন ঢাকার বাজারে কাঁচা বা রক্তযুক্ত চামড়া সরাসরি ট্যানারি মালিকরা কিনেছেন, যাতে বাজার পুরোপুরি ভেঙে না পড়ে। আমাদের তথ্য অনুযায়ী, ট্যানারি মালিকরা ৬০০ থেকে ৯০০ টাকা পর্যন্ত দামে গরুর চামড়া সংগ্রহ করেছেন। বিভিন্ন ট্যানারির বিল-ভাউচার পর্যালোচনা করেও দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রে গড়ে প্রায় ৮০০ টাকা দামে চামড়া কেনা হয়েছে।’ এবারের ঈদুল আজহায় কোরবানির পর বিক্রি হওয়া পশুর চামড়া, ফাইল ছবি তিনি আরও বলেন, ‘মাঠপর্যায়ে কিছু আড়ত বা মধ্যস্বত্বভোগীর মাধ্যমে কম দামে চামড়া কেনাবেচার অভিযোগ শোনা গেছে। তবে ট্যানারি মালিকরা এত কম দামে চামড়া কেনেননি। ট্যানারি মালিকরা মাঠে না থাকলে চামড়া সংগ্রহ আরও সংকটে পড়ত এবং বাজার পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারত।’ সরকার নির্ধারিত দামের বিষয়ে সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, ‘অনেকে কাঁচা চামড়ার দামের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত দামের তুলনা করেন। কিন্তু সরকার যে দাম নির্ধারণ করেছে, তা লবণযুক্ত চামড়ার জন্য। এ বছর ঢাকায় প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম ৬২ থেকে ৬৭ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৫৭ থেকে ৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।’ আরও পড়ুনআড়াই হাজার টাকা গাড়ি ভাড়ায় আনা চামড়া বিক্রি ৩ হাজারে‘৬০০-৭০০ টাকার চামড়া ১৫০-৩০০ টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি’চামড়ার দাম আগের মতোই, টার্গেট পূরণ না হওয়ার শঙ্কা পোস্তার আড়তদারদেরহাতে টাকা নেই-ব্যাংকের চেক বাউন্স, দুশ্চিন্তায় অনেক চামড়া ব্যবসায়ী চামড়ার দাম না পাওয়ার কারণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিটিএর চেয়ারম্যান মো. শাহীন আহমেদ বলেন, ‘চামড়ার দাম না পাওয়ার কারণ সঠিক সময়ে লবণ না দেওয়া। আবার যারা লবণ পেয়েছেন, তারা লবণও বিক্রি করেছেন, চামড়াও বিক্রি করেছেন। আর বেশি দাম পাওয়ার আশায় অনেকেই রাত ১২টা পর্যন্ত চামড়া ধরে রেখেছেন। এতে চামড়ার গুণগত মান নষ্ট হয়ে গেছে। এ কারণেই দাম কম পাওয়া গেছে। আর কিছুক্ষেত্রে মধ্যস্বত্বভোগীরা বাড়তি মুনাফা করতে দাম কম দিয়েছেন। এসব দায় ট্যানারি মালিকদের নয়।’ সিন্ডিকেটের কারণেই দেশে চামড়ার দাম পাওয়া যাচ্ছে না- এমন অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার কল দিলেও বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএইচএসএমএ) মহাসচিব টিপু সুলতানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সংগঠনটি এবার কাঁচা চামড়া সংগ্রহে প্রায় এক লাখ পিসের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিলো। পুরান ঢাকার পোস্তা থেকে এই চামড়া সংগ্রহ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ী ও ট্যানারি মালিকদের সিন্ডিকেটের কারণেই চামড়ার দাম পাওয়া যায় না। পুরান ঢাকার পোস্তার আড়তে কাঁচা চামড়ায় লবণ দেওয়া হচ্ছে, ফাইল ছবি  তবে এ অভিযোগ নাকচ করেছেন বিটিএ চেয়ারম্যান মো. শাহীন আহমেদ। তার মতে, চামড়ার কম দামে মধ্যস্বত্বত্ত্বভোগীদের ভূমিকা থাকতে পারে, তবে এর জন্য ট্যানারি মালিকরা দায়ী নন। এদিকে, কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীদের মতে, ট্যানারি মালিকরা ঈদের আগে ঠিকভাবে অর্থ সরবরাহ করেন না। এ কারণে চামড়া কিনতে তাদের হিমশিম খেতে হয়। আর ট্যানারি মালিকরা বলেন, ব্যাংক থেকে আগের মতো ঋণ পাওয়া যায় না। এ কারণে বাজারে অর্থায়ন বাড়ানো যায়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিটিএ চেয়ারম্যান শাহীন আহেমদ বলেন, ‘আগে কোরবানির মৌসুমে ট্যানারি খাতে ৪০০ থেকে ৪৮০ কোটি টাকা পর্যন্ত অগ্রিম অর্থায়ন পাওয়া যেত। এখন সেই পরিস্থিতি নেই। ২০১৭ সালের পর থেকে ট্যানারি খাত ধারাবাহিকভাবে লোকসান করেছে। এবার কোরবানি মৌসুমে ব্যাংক ঋণ হিসেবে মাত্র ৬৫ কোটি টাকা পাওয়া গেছে। যেখানে ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকার প্রয়োজন, সেখানে ৬৫ কোটি টাকা খুবই অপ্রতুল। ফলে বাজারে প্রয়োজনীয় অর্থ সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি।’ কাঁচা চামড়া রপ্তানির দাবি কোরবানির চামড়ার কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় নতুন করে দেশ থেকে কাঁচা চামড়া রপ্তানির দাবি উঠেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, কাঁচা চামড়া রপ্তানির সুযোগ দিলে দেশে কোরবানির সময় চামড়ার সঠিক দাম পাওয়া যেতে পারে। সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, ফাইল ছবি বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেমের মতে, ‘সরকারের উচিত সারা বছর লবণযুক্ত এবং ওয়েট-ব্লু চামড়া রপ্তানির অনুমতি দেওয়া। যদি বাজার সারা বছর উন্মুক্ত থাকে, তবে নতুন উদ্যোক্তারা বিনিয়োগ করবেন, প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং গুণগত মান ব্যবস্থাপনারও উন্নতি হবে।’ তবে ট্যানারি মালিকদের সংগঠন বিটিএর চেয়ারম্যান মো. শাহীন আহমেদ মনে করে, দেশ থেকে এখনই কাঁচা চামড়া রপ্তানি করা সম্ভব নয়। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতায় কাঁচা চামড়া রপ্তানি খুব সহজ বিষয় নয়। আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করতে হলে কোল্ড চেইন, বিশেষায়িত কনটেইনার এবং মানসম্মত সংরক্ষণব্যবস্থা প্রয়োজন। এছাড়া দেশে বর্তমানে গবাদি পশুর লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) ও চামড়ার গুণগত মানসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় রয়েছে। এসব কারণে কাঁচা চামড়া রপ্তানি বাস্তবায়ন করা কঠিন।’ আরও পড়ুনসাড়ে ৫৬ লাখের বেশি চামড়া সংরক্ষণ করা হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রীচামড়া এখন গলার কাঁটাকোটি টাকার বকেয়ায় জিম্মি বগুড়ার চামড়া বাজারবরিশালে গরুর চামড়া ৩০০ টাকা, খাসির চামড়া ফ্রি! কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখ পশু দেশে এবার ৯৩ লাখ পশু কোরবানি হয়েছে বলে জানিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানান, এ বছর ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৮টি পশু কোরবানি হয়েছে। পশুর চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি। বিপরীতে দেশে কোরবানিযোগ্য পশুর প্রাপ্যতা ছিল ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। কোরবানি শেষে দেশে ২৯ লাখ ৬৬ হাজার ৪২২টি পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, এবার ৪৮ লাখ ৬৪ হাজার ১৫৮টি গরু ও মহিষ কোরবানি হয়েছে। ছাগল ও ভেড়া ৪৫ লাখ ২ হাজার ২৩৩টি এবং অন্যান্য পশু ১ হাজার ২৭টি কোরবানি করা হয়েছে। গত বছর গরু ও মহিষ ৪৭ লাখ ৫ হাজার ১০৬টি, ছাগল ও ভেড়া ৪৪ লাখ ৩০ হাজার ৬৬৮টি এবং অন্যান্য ৯৬০টি পশু কোরবানি করা হয়। সেই হিসাবে ১ লাখ ৫৯ হাজার ৫২টি বেশি গরু বা মহিষ কোরবানি হয়েছে। আর ছাগল ভেড়া বেড়েছে ৭১ হাজার ৫৬৫টি। ইএইচটি/এমএমএআর

Go to News Site