Collector
চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ মামলায় অভিযোগ গঠন মঙ্গলবার | Collector
চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ মামলায় অভিযোগ গঠন মঙ্গলবার
Jagonews24

চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ মামলায় অভিযোগ গঠন মঙ্গলবার

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ায় চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় করা মামলায় আদালতে দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে মামলাটিতে অভিযোগ গঠনের জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার দিন ধার্য করা হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) চট্টগ্রাম মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফছা ঝুমা এ আদেশ দেন। এসময় মামলার একমাত্র আসামি মনির হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ বলেন, মামলাটি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। অভিযোগপত্র আমলে নেওয়ার পর আদালত ৯ জুন অভিযোগ গঠনের দিন নির্ধারণ করেছেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার আদালতের প্রসিকিউশন শাখায় অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, চিকিৎসা প্রতিবেদন, ডিএনএ রিপোর্ট, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এসব তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৯(১) ধারায় মনির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। মামলায় ১৩ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। মামলার নথি অনুযায়ী, মনির হোসেন (৩০) কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ঘারঘাটা এলাকার বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ার মিয়াখাননগর এলাকায় বসবাস করেন। গত ২১ মে বিকেলে বাকলিয়ার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের নুর হোসেন চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার বালুর মাঠসংলগ্ন একটি গুদামকক্ষে শিশুটিকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বাকলিয়া থানায় মামলা করেন। তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক তানভীর আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন, আলামত সংগ্রহ, সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ এবং চিকিৎসাসংক্রান্ত নথি সংগ্রহ করেন। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী শিশু ও অভিযুক্তের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। ঘটনার পরদিন মনির হোসেনকে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ভুক্তভোগী শিশুর জবানবন্দিও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২২ ধারায় রেকর্ড করা হয়। এদিকে, আসামিকে গ্রেফতারের সময় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পুলিশ জানায়, আসামিকে থানায় নেওয়ার প্রস্তুতিকালে একদল ব্যক্তি পুলিশের কাজে বাধা দেয় এবং ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিক আহত হন। পাশাপাশি পুলিশের কয়েকটি গাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় চাক্তাই পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মোবারক হোসেন বাদী হয়ে পৃথক একটি মামলা করেন। মামলায় ৫৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এমআরএএইচ/এমকেআর

Go to News Site