Jagonews24
• নিবন্ধন করে চাঁদা দিয়েছেন ৩ লাখ ৭৮ হাজার ২৯ জন • নিবন্ধনকারীদের ৭৬ শতাংশই দরিদ্র • চাঁদা দেওয়ার শীর্ষে বেসরকারি চাকরিজীবীরা • চাঁদা জমা পড়েছে ২৬৩ কোটি ১০ লাখ টাকা • বিনিয়োগ ২৮৬ কোটি টাকা • নিবন্ধনে পিছিয়ে প্রবাসীরা সর্বস্তরের জনগণকে একটি টেকসই ও সুসংগঠিত সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় আনতে চালু হওয়া সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি ক্রমেই গতি হারাচ্ছে। কর্মসূচি শুরুর পর প্রথম দিকে নিবন্ধনে আগ্রহ দেখা গেলেও বর্তমানে নতুন নিবন্ধনের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। গত এক বছরে নতুন করে মাত্র চার হাজারের মতো গ্রাহক নিবন্ধিত হয়েছেন, যা কর্মসূচির সম্ভাবনা ও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অত্যন্ত হতাশাজনক। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জনসচেতনতার ঘাটতির কারণে সর্বজনীন পেনশন স্কিম নিয়ে মানুষের আগ্রহ কমে গেছে। ফলে দেশের সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার অন্যতম বড় উদ্যোগটি এখন কার্যত স্থবির অবস্থার মুখোমুখি। এ পরিস্থিতিতে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের গতি বাড়াতে তোড়জোড় শুরু করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে সম্প্রতি জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নতুন নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সদস্য নিয়োগ দিয়েছে সরকার। নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সহকারী একান্ত সচিব ড. মো. সুরাতুজ্জামান এবং সদস্য হিসেবে বিসিএস ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা শেখ কামরুল হাসানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব নেওয়ার পর পরই সর্বজনীন পেনশন স্কিমের ‘প্রগতি স্কিমে’ তফসিলি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অন্তর্ভুক্তি করার উদ্যোগ নিয়েছেন। সেই সঙ্গে স্কিমটিকে আরও আকর্ষণীয় করতে শেয়ারভিত্তিক পেনশন স্কিম চালু, মনোনীত ব্যক্তির জন্য আজীবন পেনশন সুবিধা ও আউটসোর্সিং কর্মীদের অন্তর্ভুক্তি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে কর্মশালা ও সেমিনার আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সর্বস্তরের জনগণকে একটি টেকসই ও সুসংগঠিত সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় আনতে ২০২৩ সালের ১৭ আগস্ট সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করা হয়। প্রাথমিকভাবে প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা এবং সমতা— এই চার স্কিম নিয়ে সেই সরকার সর্বজনীন পেনশন চালু করে। পরবর্তীতে সব স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীনস্থ অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিমে ‘প্রত্যয় স্কিম’ নামে নতুন স্কিম চালু করার ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে শিক্ষকদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে পরে প্রত্যায় স্কিম বাতিল করা হয়। সে হিসেবে বর্তমানে প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা এবং সমতা এই ৪ স্কিম চালু রয়েছে। শুরুতে সর্বজনীন পেনশনে মানুষের ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেলেও আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সেই আগ্রহ হারিয়ে যায়। আশঙ্কাজনক হারে কমে যায় নিবন্ধনের গতি। এমনকি এই পেনশন স্কিম চালু থাকবে কি না তা নিয়েও অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে মানুষের মধ্যে সন্দেহ দেখা দেয়। ফলে নিবন্ধনের গতি আশঙ্কাজনক হারে কমে যায়। নিবন্ধনের গতি কমলেও এখনো প্রতিনিয়ত সর্বজনীন পেনশন স্কিমে টাকা জমার পরিমাণ বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে বিনিয়োগের পরিমাণ। এমনকি বিনিয়োগ করা অর্থ চাঁদা বাবদ জমা পড়া অর্থের পরিমাণকে ছাড়িয়ে গেছে। সেই সঙ্গে প্রতিনিয়ত বাড়ছে বিনিয়োগ করা অর্থের পরিমাণ। আরও পড়ুন৪ কোটি পরিবারকে সর্বজনীন পেনশন স্কিমে আনার নির্দেশ অর্থমন্ত্রীরসর্বজনীন পেনশনের পরিধি বাড়াতে ১০০ মিলিয়ন ডলার দেবে এডিবিতফসিলি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের ‘প্রগতি স্কিমে’ অন্তর্ভুক্তির তাগিদ প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা— এই চার স্কিমে এরই মধ্যে ৩ লাখ ৭৮ হাজারের বেশি মানুষ নিবন্ধন সম্পন্ন করে চাঁদা জমা দিয়েছেন। তাদের জমা দেওয়া চাঁদার পরিমাণ ২৬৩ কোটি ১০ লাখ টাকার বেশি। বিপরীতে সর্বজনীন পেনশন স্কিম থেকে সরকারি বিভিন্ন ট্রেজারি বন্ড ও বিলে এরই মধ্যে ২৮৬ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করা হয়েছে। সেই বিনিয়োগের বর্তমান মূল্য বেড়ে ২৮৮ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। অর্থাৎ চাঁদা বাবদ যে অর্থ জমা পড়েছে বিনিয়োগ হয়েছে তার থেকে ২৩ কোটি টাকার কিছু বেশি। জমা হওয়া চাঁদার থেকে বিনিয়োগ বেশি হওয়ার কারণ সরকারি ট্রেজারি বন্ড ও বিলে বিনিয়োগ করে যে মুনাফা পাওয়া গেছে সেই অর্থও বিনিয়োগ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ২৪ জুন সর্বজনীন পেনশন স্কিমে নিবন্ধন সম্পন্ন করে চাঁদা জমাদানকারীর সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৫৭ জন। আর বর্তমানে (চলতি বছরের ৪ জুন পর্যন্ত) এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৭৮ হাজার ২৯ জন। অর্থাৎ গত এক বছরে ৩ হাজার ৯৭২ জন নতুন নিবন্ধন করেছে। নতুন নিবন্ধকারীর সংখ্যা কমলেও পেনশন স্কিমে আগের মতোই নিবন্ধের ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছেন দরিদ্র মানুষ, যাদের বার্ষিক আয় সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা। এই আয়ের মানুষদের জন্য চালু করা হয়েছে সমতা স্কিম। এই স্কিমের মাসিক চাঁদার পরিমাণ ১ হাজার টাকা। এর মধ্যে ৫০০ টাকা স্কিম গ্রহণকারী দেবেন এবং বাকি ৫০০ টাকা সরকার থেকে দেওয়া হবে। ৪ জুন পর্যন্ত এই স্কিমে নিবন্ধনকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮৬ হাজার ৯১২ জন। আর জমা পড়া চাঁদার পরিমাণ ৫৪ কোটি ৫৩ লাখ ২৩ হাজার ৫০০ টাকা। অর্থাৎ পেনশন স্কিমে নিবন্ধন সম্পন্নকারীদের ৭৬ শতাংশই দরিদ্র মানুষ। গত বছরের ২৪ জুন পর্যন্ত এই স্কিমে নিবন্ধনকারীর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৮৬ হাজার ২৫০ জন। অর্থাৎ গত এক বছরে এই স্কিমে নতুন করে ৬৬২ জন নিবন্ধন করেছেন। বাকি তিন স্কিমের মধ্যে সব থেকে বেশি নিবন্ধন করেছেন অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত বা স্বকর্মে নিয়োজিত ব্যক্তিরা। আর সব থেকে বেশি চাঁদা জমা দিয়েছেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীরা। বরাবরের মতো প্রবাসীদের নিবন্ধন ও চাঁদা বাবদ জমা দেওয়া অর্থের পরিমাণ সব থেকে কম। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীদের জন্য চালু করা প্রগতি স্কিমে চাঁদা জমা পড়েছে ১২২ কোটি ২১ লাখ ১৫ হাজার ৫০০ টাকা। এই স্কিমে নিবন্ধনকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৫৩ জন। গত বছরের ২৪ জুন এই স্কিমে নিবন্ধনকারীর সংখ্যা ছিল ২৩ হাজার ২৩২ জন। এ হিসাবে এক বছরে এই স্কিমে নতুন করে এসেছেন ১ হাজার ৮২১ জন। অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত বা স্ব-কর্মে নিয়োজিত ব্যক্তি যেমন- কৃষক, রিকশাচালক, শ্রমিক, কামার, কুমার, জেলে, তাঁতি ইত্যাদি পেশার ব্যক্তিদের জন্য চালু করা সুরক্ষা স্কিম গ্রহণ করে চাঁদা পরিশোধ করেছেন ৬৪ হাজার ৯৭৫ জন। তাদের জমা দেওয়া চাঁদার পরিমাণ ৭৫ কোটি ৫৯ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ টাকা। গত বছরের ২৪ জুন এই স্কিমে নিবন্ধনকারীর সংখ্যা ছিল ৬৩ হাজার ৫৮৭ জন। অর্থাৎ গত এক বছরে এই স্কিমে নতুন করে এসেছেন ১ হাজার ৩৮৮ জন। আর বিদেশে অবস্থান করা বা প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য চালু করা প্রবাস স্কিমে চাঁদা জমা দিয়েছেন মাত্র ১ হাজার ৮৯ জন। তাদের জমা দেওয়া চাঁদার পরিমাণ ৭ কোটি ২৭ লাখ ৪১ হাজার টাকা। গত বছরের ২৪ জুন এই স্কিমে নিবন্ধনকারীর সংখ্যা ছিল ৯৮৮ জন। অর্থাৎ গত এক বছরে প্রবাস স্কিমে নতুন করে যুক্ত হয়েছেন ১০১ জন। সব মিলিয়ে প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা এবং সমতা— এই চার স্কিমে মোট ৩ লাখ ৭৮ হাজার ২৯ জন নিবন্ধন সম্পন্ন করে চাঁদা জমা দিয়েছেন। তাদের জমা দেওয়া চাঁদার পরিমাণ ২৬৩ কোটি ১০ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। আর সর্বজনীন পেনশন স্কিম থেকে সরকারি ট্রেজারি বন্ড ও বিলে বিনিয়োগ করা হয়েছে ২৮৬ কোটি ৯ লাখ ৪৬ হাজার ১২৮ টাকা। আর এই বিনিয়োগের বর্তমান বন্ড ভ্যালু (মূল্য) দাঁড়িয়েছে ২৮৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত দুই বছর ধরে নিবন্ধনের গতি কমলেও শুরুর দিকে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যায়। সর্বজনীন পেনশন স্কিমে নিবন্ধনের গতি বাড়তে থাকে ২০২৪ সালের এপ্রিল মাস থেকে। ২০২৪ সালের এপ্রিলে ৬০ হাজার মানুষ নিবন্ধন সম্পন্ন করেন। এতে ওই মাসে সর্বজনীন পেনশনে নিবন্ধনের সংখ্যা ১ লাখের মাইলফলক স্পর্শ করে। অর্থাৎ সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালুর ৮ মাস পর নিবন্ধন সম্পন্নকারীর সংখ্যা এক লাখ স্পর্শ করে। এরপর মে ও জুন মাসেও বিপুল পরিমাণ মানুষ নিবন্ধন সম্পন্ন করে চাঁদা জমা দেন। এতে জুলাই মাস শুরু হতেই নিবন্ধন সম্পন্নকারীর সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৩ লাখ হয়ে যায়। আর জমা পড়া চাঁদার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১০০ কোটি টাকা। তবে শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর পেনশন স্কিমে নিবন্ধের গতি বেশ কমে যায়। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে চলে যান। শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্রদের আন্দোলন শুরু হয় জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই। ছাত্র আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকেই পেনশন স্কিমে নিবন্ধনের গতি কমতে থাকে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জনা গেছে, ২০২৪ সালের ২ জুলাই দুপুর পর্যন্ত সর্বজননী পেনশন স্কিমে চাঁদা পরিশোধ করে নিবন্ধন সম্পন্ন করেন ৩ লাখ ৪০ হাজার ২৪২ জন। আর তাদের জমা দেওয়া চাঁদার পরিমাণ ছিল ৯৯ কোটি ৮০ লাখ ১২ হাজার ৫০০ টাকা। এর দুই মাস পর ৯ সেপ্টেম্বর সর্বজনীন পেনশন স্কিমে চাঁদা পরিশোধ করে নিবন্ধন সম্পন্ন করার সংখ্যা দাঁড়ায় ৩ লাখ ৭২ হাজার ৯৪ জন। আর তাদের জমা দেওয়া চাঁদার পরিমাণ দাঁড়ায় ১২৩ কোটি ৫৬ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। অর্থাৎ আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরুর পর দুই মাসে (৩ জুলাই থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) সর্বজনীন পেনশন স্কিমে চাঁদা পরিশোধ করে নতুন নিবন্ধন সম্পন্ন করেন ৩১ হাজার ৮৫২ জন। পরবর্তীতে নিবন্ধের হার আরও কমে যায়। আরও পড়ুনসর্বজনীন পেনশনের নিবন্ধনে শেষ সাড়ে ৯ মাসে ‘কচ্ছপগতি’আসছে সর্বজনীন পেনশনের ‘ইসলামিক ভার্সন’সর্বজনীন পেনশন স্কিম গতিশীল করতে ১৭ ব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতা অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সর্বজনীন পেনশন স্কিম নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে তেমন প্রচারণা চালানো হয়নি। ফলে সে সময় মানুষের মধ্যে সন্দেহ দেখা দিয়েছিল সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু থাকবে কি না। এতে নিবন্ধনের গতি কমে যায়। তবে বর্তমান সরকার এটিকে জোরদার করার চেষ্টা করছে। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের প্রায় ৪ কোটি পরিবারের প্রতিটিতে অন্তত একজন সদস্যকে সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আশা করা যায় সামনে নিবন্ধনের গতি বাড়বে। যোগাযোগ করা হলে সর্বজনীন পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য কামরুল হাসান জাগো নিউজকে বলেন, সর্বজনীন পেনশন স্কিম সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করতে প্রশাসনিক পর্যায়ে সরকারি অফিস-আদালতকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অন্যান্য গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচারের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট অংশীজন (স্টেকহোল্ডার) ও বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে সেমিনার ও কর্মশালার আয়োজন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমানে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে কর্মশালা ও সেমিনার আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ইউনিয়ন বা উপজেলা পর্যায়ে এ ধরনের কর্মসূচি সম্প্রসারণের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন, সর্বজনীন পেনশন স্কিমের ইসলামিক সংস্করণ চালুর বিষয়ে আলোচনা চলছে এবং কর্তৃপক্ষ নীতিগতভাবে প্রস্তুত রয়েছে। ইসলামিক পেনশন স্কিম চালুর জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামো, বিনিয়োগ পদ্ধতি ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। আগামী বোর্ড সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারের অনুমোদন বা ইতিবাচক সংকেত পাওয়া গেলে ইসলামিক সংস্করণ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এমএএস/এমআইএইচএস
Go to News Site