Collector
পুলিশ পরিচয়ে ব্যবসায়ীকে অপহরণচেষ্টা, দু’জন কারাগারে | Collector
পুলিশ পরিচয়ে ব্যবসায়ীকে অপহরণচেষ্টা, দু’জন কারাগারে
Jagonews24

পুলিশ পরিচয়ে ব্যবসায়ীকে অপহরণচেষ্টা, দু’জন কারাগারে

নেত্রকোনার বারহাট্টায় পুলিশ পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তিকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার সময় ২ ভুয়া পুলিশ সদস্যকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। সোমবার (৮ জুন) আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চম্পক দাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কারাগারে পাঠানো দুই আসামি হলেন- নেত্রকোনা সদর উপজেলার ঠাকুরাকোনা গ্রামের সিজন মিয়া (৩৫) ও সুজাত মিয়া (৩৩)। এ ঘটনায় করা মামলায় সদর উপজেলার দুর্গাশ্রম গ্রামের শাহিন মিয়া (৩২), বারহাট্টা উপজেলার চন্দ্রপুর গ্রামের মামুন মিয়া (৩৫) এবং আরও ২-৩ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। ভুক্তভোগী সোহরাব হোসেন (২৮) বারহাট্টা উপজেলার চন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নৈহাটী বাজারে মোবাইল ব্যাংকিং ও মনোহারি ব্যবসা করেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার সকালে দোকানে কাজ করার সময় প্রতিবেশী মামুন মিয়া মোবাইলফোনে সোহরাবকে জানান, তার বাড়িতে ঝগড়া হয়েছে এবং দ্রুত বাড়ি যেতে বলেন। খবর পেয়ে মোটরসাইকেলে করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন তিনি। পথে সিজন, সুজাতসহ কয়েকজন ব্যক্তি দুটি মোটরসাইকেলে তার গতিরোধ করেন। তারা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে সোহরাবের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে বলে দাবি করেন। এরপর তাকে হাতকড়া পরিয়ে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যান। অভিযোগ রয়েছে, পরে কলমাকান্দা উপজেলার আমবাড়ি এলাকার একটি জঙ্গলে নিয়ে সোহরাবকে মারধর করা হয় এবং তার কাছে ৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। এ সময় অপহরণকারীরা মামুন মিয়ার সঙ্গে মোবাইলফোনে যোগাযোগ করেন বলেও জানিয়েছে পুলিশ। একপর্যায়ে সোহরাবকে অন্যত্র নেওয়ার সময় আমবাড়ি বাজারে পৌঁছে তিনি মোটরসাইকেল থেকে নেমে চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে পুরো ঘটনা প্রকাশ পায়। পরে এলাকাবাসী সোহরাবকে উদ্ধার করে এবং সিজন ও সুজাতকে আটক করে। খবর পেয়ে কলমাকান্দা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক দুজনকে থানায় নিয়ে যায়। পরে আইনি প্রক্রিয়ার জন্য তাদের বারহাট্টা থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় সোহরাব হোসেন বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল ও একজোড়া হাতকড়া জব্দ করা হয়েছে। তারা এসব সরঞ্জাম ব্যবহার করে নিজেদের পুলিশ সদস্য হিসেবে পরিচয় দিতেন। জব্দ করা মোটরসাইকেলেও ‘পুলিশ’ লেখা ছিল। বারহাট্টা থানার ওসি চম্পক দাম বলেন, আটক দুজনকে মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। সোমবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। এইচ এম কামাল/এনএইচআর/জেআইএম

Go to News Site