Jagonews24
১৩৬ রানে যখন নবম উইকেট হারায় গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স, তখনও জয় থেকে তারা ৮৫ রান দূরে। এরপর আজিজুল হাকিম ও মোহাম্মদ রুবেল যেন অসম্ববকে সম্ভব করার মিশনে নামেন। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন তারা, শেষমেষ নৌকা আর তীরে নোঙ্গর করাতে পারেননি। সহজ ম্যাচ শেষ পর্যন্ত রোমাঞ্চকরভাবে জয় পায় আবাহনী ক্লাব। সোমবার বিকেএসপির ৪ নম্বর মাঠে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের দশম রাউন্ডে গাজীকে ১২ রানে হারিয়েছে আবাহনী। আগে ব্যাটিং করে ২২১ রান করে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। জবাবে একাদশতম উইকেটে ৭৩ রানের জুটি গড়েও ২০৯ রানে থামে গাজী। একই দিনে ঢাকা লিওপার্ডসের বিপক্ষে ৫ উইকেটে হেরেছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। এতে এখন আবাহনী ও মোহামেডান দুই দলেরই পয়েন্ট সমান ১০। যদিও রান রেটে এগিয়ে থেকে এখনো শীর্ষেই আছে মোহামেডান। রান রেটে পিছিয়ে ৩ নম্বরে থাকা প্রাইম ব্যাংকের পয়েন্টও ১০! তবে তাদের রান রেট উপরের দুই চলের চেয়ে অনেকটাই কম। আবাহনী ও মোহামেডান দুই দলই শেষ রাউন্ডে একে অপরের মুখোমুখি হবে। সেক্ষেত্রে ম্যাচটি জিতলেই আবাহনী চ্যাম্পিয়ন হবে। তবে মোহামেডান ও প্রাইম ব্যাংক শেষ ম্যাচ জিতলে চ্যাম্পিয়ন হবে প্রাইম ব্যাংকই। কারণ মোহামেডানের বিপক্ষে মুখোমুখি লড়াইয়ে প্রাইম ব্যাংকের জয় আছে। আর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে পয়েন্ট সমান হলে সবার আগে দেখা হয় মুখোমুখি লড়াইয়ের ফল। গত আসরেও মোহামেডানকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আবাহনী, এবারও সেই সুযোগ আছে আর সাথে টানা চার আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ড ছোঁয়ার হাতছানি। এর আগে অবশ্য শুধু আবাহনীই টানা ৪ বার লিগ শিরোপা জিতেছিল। এদিন রান তাড়ায় দলীয় ৩৮ রানে শোভন মোড়লকে হারায় গাজী। আগের দুই ম্যাচে টানা দুই ফিফটি করা খুলনার এই বাঁ-হাতি ওপেনার এদিন করেন ১৯ রান। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি। ১৩৬ রানে নবম উইকেট হারায় গাজী। এরপর একপ্রান্ত আগলে রেখে আজিজুল হাকিমকে নিয়ে লড়াই শুরু করেন রুবেল। দুর্দান্ত লড়াই করলেও ১২ রান দূরত্বে আজিজুল হাকিমের বিদায় তাদের হার নিশ্চিত করে। রুবেল করেন ৩৭ বলে ৩৩ রান। আবাহনীর হয়ে ৩ উইকেট নেন বাহাতি স্পিনার মাহফুজুর রাব্বি। এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ২৯ রানে জিসান আলমকে হারায় আবাহনী। পরের ৪৯ রানের মধ্যে ফেরেন আরও ৩ ব্যাটার, সাব্বির হোসেন, অনিক সরকার ও জাকের আলী। এরপর এসএম মেহরবকে নিয়ে ৮৭ রানের জুটি গড়েন মাহিদুল ইসলাম অংকন। ১১২ বলে ৬৬ রান করে অংকন ফিরলে এই জুটি ভেঙে যায়। মেহরব করেন ৫৯ বলে ৪০ রান। গাজীর হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন আজিজুল হাকিম ও মোহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম। এসকেডি/আইএইচএস/
Go to News Site