Jagonews24
ডিভোর্স জালিয়াতি, পরকীয়া ও ব্যভিচার রোধে ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে। একই সঙ্গে অপরাধের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য সমান শাস্তির বিধান রেখে লিঙ্গনিরপেক্ষ আইন প্রণয়নের আহ্বান জানানো হয়েছে কর্মসূচি থেকে। বুধবার (১০ জুন) সকালে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচির আয়োজন করে এইড ফর মেন ফাউন্ডেশন। আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম নাবিল জাগো নিউজকে বলেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে পুরুষের অধিকার নিয়ে কাজ করছেন। যেসব ক্ষেত্রে পুরুষরা আইনি বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন সেসব বিষয়ে সংগঠনটি সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছে। তিনি বলেন, তাদের সংগঠনের লিগ্যাল অ্যাডভাইজার অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান প্রায় বিনামূল্যে মামলাটি পরিচালনা করেছেন। তবে তাদের লক্ষ্য শুধু নাসির বা তামিমাকে ঘিরে নয়, বরং পরকীয়াবিষয়ক আইনের সংস্কারও তাদের অন্যতম দাবি। সাইফুল ইসলাম নাবিলের ভাষ্য, দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারায় পরকীয়ার জন্য কেবল পুরুষের শাস্তির বিধান থাকলেও নারীর ক্ষেত্রে কোনো শাস্তির বিধান নেই। অথচ পরকীয়া নারী ও পুরুষ উভয়ের মাধ্যমেই সংঘটিত হয়। তাই শাস্তির বিধানও উভয়ের জন্য সমান হওয়া উচিত। এ কারণেই তারা লিঙ্গনিরপেক্ষ আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়ে আসছেন। তিনি আরও বলেন, তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনে নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানার বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত তথ্যে জালিয়াতির বিষয় উঠে এসেছে বলে তারা জেনেছেন। এছাড়া বহু প্রবাসী পুরুষ সংগঠনের কাছে অভিযোগ করেন যে, তাদের স্ত্রী যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন না করেই অন্যত্র বিয়ে করছেন, ফলে তারা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। নাবিল বলেন, নাসির-তামিমার ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হলে ভুক্তভোগী পুরুষরা আইনের আশ্রয় নিতে উৎসাহিত হবেন। একই সঙ্গে যারা স্বামীর অর্থ আত্মসাৎ করেন বা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া নতুন সম্পর্কে জড়ান তাদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সহজ হবে। সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অপরাধের ক্ষেত্রে লিঙ্গ বিবেচনা না করে নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য সমান শাস্তির বিধান রেখে একটি লিঙ্গনিরপেক্ষ আইন প্রণয়ন করা উচিত। মানববন্ধন কর্মসূচিতে এইড ফর মেন ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। এমডিএএ/এমএমকে
Go to News Site