Collector
‘নাগরিকের গোপন তথ্য ঠিকাদারের হাতে’, ‘ইসলামী ব্যাংক আসলে তুমি কার?’ | Collector
‘নাগরিকের গোপন তথ্য ঠিকাদারের হাতে’, ‘ইসলামী ব্যাংক আসলে তুমি কার?’
Somoy TV

‘নাগরিকের গোপন তথ্য ঠিকাদারের হাতে’, ‘ইসলামী ব্যাংক আসলে তুমি কার?’

প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় শনিবার (৬ জুন) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো। যুদ্ধের বড় ধাক্কা শ্রমবাজারে - দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারে বাংলাদেশের কর্মী পাঠানোয় সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছিল করোনা মহামারির সময়। এরপর ধীরে ধীরে বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাত ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করলেও সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যজুড়েও ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় বাংলাদেশের কর্মী পাঠানোয় আবারও বড় ধাক্কা লাগায় সংকটে পড়ে এই খাত। অন্যদিকে যুদ্ধের কারণে কাজ হারিয়ে অনেক শ্রমিককে দেশেও ফেরত আসতে হয়। এতে দেশের বৈদেশিক শ্রমবাজার ও বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের ক্ষেত্র নতুন করে হুমকির মুখে পড়ে। সৃজনশীল অর্থনীতিতে জোর, বরাদ্দ হবে ৩০০ কোটি টাকা - দৈনিক প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের তরুণদের মাদক, সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ থেকে দূরে রাখতে সৃজনশীল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর জোর দিচ্ছে সরকার। এর অংশ হিসেবে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বরাদ্দ রাখা হচ্ছে ৩০০ কোটি টাকা। বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সৃজনশীল অর্থনীতির সম্ভাবনা এবং এর রূপরেখাও তুলে ধরবেন। সাধারণভাবে সৃজনশীল অর্থনীতি বলতে চলচ্চিত্র, নাচ, গান, নাটক, প্রকাশনা, বিজ্ঞাপন, স্থাপত্য, শিল্পকলা, কারুশিল্প, নকশা, সফটওয়্যার, ভিডিও গেমস ইত্যাদিকে বোঝানো হয়। জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থার (আঙ্কটাড) সৃজনশীল অর্থনীতি বা ক্রিয়েটিভ ইকোনমি আউটলুক-২০২৪ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৃজনশীল অর্থনীতি বলতে এমন পণ্য ও সেবা তৈরি, উৎপাদন এবং বিপণনকে বোঝায়, যেখানে প্রধান উপাদান হিসেবে সৃজনশীলতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদকে ব্যবহার করা হয়। ঢাকায় ইঁদুরের বংশবিস্তার বাড়াচ্ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি - দৈনিক বণিকবার্তার প্রধান খবর এটি। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ঢাকার অলিগলি, কাঁচাবাজার, হোটেল-রেস্তোরাঁ, ড্রেন ও আবাসিকের আশপাশে বেড়েছে ইঁদুরের উপদ্রব। দিনের বেলায়ও খাবারের সন্ধানে বেরিয়ে পড়া এসব প্রাণী নগরবাসীর জন্য শুধু বিরক্তির কারণই নয়, বরং একটি ক্রমবর্ধমান জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির ইঙ্গিত। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইঁদুর বিভিন্ন রোগ জীবাণুর বাহক। এদের মলমূত্র ও শরীরের সংস্পর্শে খাবার বা পানি দূষিত হলে মানুষের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। বিশেষ করে রাজধানীর মতো ঘনবসতিপূর্ণ নগর এলাকায় এ ঝুঁকি আরো বেশি। নগর পরিকল্পনাবিদরা মনে করেন, দুর্বল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে রাজধানীতে ইঁদুরের বংশবিস্তার ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ না হওয়া, খোলা জায়গায় ময়লা ফেলে রাখা এবং পর্যাপ্ত ডাস্টবিনের অভাব পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলছে। অথচ নগরবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষার অন্যতম প্রধান শর্ত হলো বিজ্ঞানসম্মত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা। কিন্তু স্বাধীনতার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও দেশে এখনো কার্যকর ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। ফলে নগরীতে ইঁদুর, মশা ও রোগবাহক অন্যান্য প্রাণীর উপদ্রব ক্রমেই বাড়ছে।বিদ্যুৎ খাতে অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর - দৈনিক সমকালের প্রথম পাতায় প্রকাশিত সংবাদ এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের তিন মেয়াদে সবচেয়ে সমালোচিত বিষয় ছিল বিদ্যুৎ খাতের ক্যাপাসিটি চার্জ। উৎপাদনে না থাকলেও কেন্দ্র মালিককে এ অর্থ দেওয়া হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি তথা সামগ্রিক অর্থনীতির সর্বনাশা বীজ লুকিয়ে আছে বিদ্যুতের এই অস্বাভাবিক ক্যাপাসিটি পেমেন্টে। এই চার্জ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। ২০১১-১২ থেকে ২০২৩-২৪ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিদ্যুতের ক্যাপাসিটি চার্জ হিসেবে ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়। সর্বশেষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ৩৬ হাজার ৭৪৬ কোটি টাকা। এর পরের অর্থবছরে তা বেড়ে হয় ৪৫ হাজার ৪৫১ কোটি টাকা। মাত্র এক বছরে বেড়েছে ২৪ শতাংশ। এই ১৫ বছরে ক্যাপাসিটি চার্জে রাষ্ট্রের খরচ হয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকা।ইসলামী ব্যাংক আসলে তুমি কার? - দৈনিক মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম এটি। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, এক সময়ের দেশের সবচেয়ে লাভজনক, আস্থাশীল এবং তারল্যে উদ্বৃত্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এখন গভীর সংকটে। চেয়ারম্যানের পদত্যাগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো, পর্ষদে রদবদল, রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ এবং সারা দেশে গ্রাহকদের মানববন্ধন-সবমিলিয়ে ব্যাংকটিতে নতুন করে অস্থিরতা চলছে। ধারাবাহিক ঋণ কেলেঙ্কারি, বেনামি ঋণ বিতরণ, তীব্র তারল্য সংকটে ব্যাংকটির আর্থিক ভিত্তি পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। প্রতিষ্ঠার পর ব্যাংকটি এখন বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে গত কোরবানি ঈদের আগে পরে তীব্র অর্থ সংকট লক্ষ্য করা গেছে। আমানত উত্তোলনের প্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় ব্যাংকটির শাখা ও এটিএম বুথ থেকে গ্রাহকদের টাকা উত্তোলন করতে না পারার অভিযোগও পাওয়া গেছে। নাগরিকের গোপন তথ্য ঠিকাদারের হাতে - দৈনিক যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্যভান্ডারে থাকা নাগরিকদের ব্যক্তিগত গোপনীয় তথ্য বিক্রির কেলেঙ্কারির রেশ এখনো কাটেনি। এরই তদন্ত চলাবস্থায় আরেকটি চাঞ্চল্যকর ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডামাডোলের আড়ালে এনআইডি তথ্যভান্ডারে থাকা নাগরিকদের ছবি ও ২৮টি ডেমোগ্রাফিক তথ্য বেসরকারি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নেওয়ার সুযোগ করে দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ‘স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি’ নামের অ্যাপের মাধ্যমে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানানোর নেপথ্যে এমন ঘটনাই ঘটিয়েছেন ইসির তথ্য-প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। বেসরকারি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ ইউজার আইডি ও এপিআই (অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস) দিয়েছেন তারা। যেখানে চার ধরনের তথ্য দিয়েই ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানানো সম্ভব ছিল, সেখানে নাগরিকদের ২৮ ধরনের তথ্য দেওয়ায় নাগরিকদের গোপনীয়তা লঙ্ঘন ও নিরাপত্তা সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। হামের বিভীষিকায়ও ঊর্ধ্বমুখী ডেঙ্গু - দৈনিক কালের কণ্ঠে প্রকাশিত আরেকটি খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের জনস্বাস্থ্যের সামনে এখন একসঙ্গে দুটি বড় চ্যালেঞ্জ-হাম ও ডেঙ্গু। কয়েক মাস ধরে চলা হামের প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার কিছুটা কমার আভাস মিললেও পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। এর মধ্যেই বিভিন্ন জেলায় বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী। বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই প্রাণঘাতী এ রোগের বিস্তার ঘটছে। ফলে সংক্রামক দুই রোগের চাপে উদ্বেগ বাড়ছে স্বাস্থ্য খাতে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরো পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে এক হাজার ১৬৮ জন, নতুন ভর্তি হয়েছে এক হাজার ৯৩ জন এবং নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ২৪৩ জনের। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে ৫১৯ শিশুর। নিশ্চিত হামে মৃত্যু ৯১ জনের।

Go to News Site