Collector
দেখি, বোর্ডকে বাপের দোয়া থেকে ক্রিকেটের দোয়া করতে পারি কিনা: তামিম | Collector
দেখি, বোর্ডকে বাপের দোয়া থেকে ক্রিকেটের দোয়া করতে পারি কিনা: তামিম
Somoy TV

দেখি, বোর্ডকে বাপের দোয়া থেকে ক্রিকেটের দোয়া করতে পারি কিনা: তামিম

‘অনেকে অনেক ধরনের ট্যাগ দিচ্ছে। এটা তাদের ব্যক্তিগত অভিমত। দেখি, বাপের দোয়া থেকে ক্রিকেটের দোয়া করতে পারি কি না, ভবিষ্যতে!’বিসিবি নির্বাচনের পর প্রথমে পরিচালক, এরপর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে বিসিবির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তামিম ইকবাল। রোববার (৭ জুন) বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন শেষ আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।মূলত, গত এপ্রিলে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয়। একইসঙ্গে তামিম ইকবালকে সভাপতি করে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করে।ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের সন্তান-আত্মীয়রা অনেকেই সেই অ্যাডহক কমিটির সদস্য ছিলেন। নির্বাচনের পরেও তাদের উপস্থিতি লক্ষ্যণীয়। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে অনেকে বিসিবির অ্যাডহক কমিটিকে ‘বাবার দোয়া’ ক্রিকেট বোর্ড বলে সমালোচনায় মুখর হন। সংবাদ সম্মেলনে তামিম আরও বলেন, ‘আমি কিংবা বোর্ড মেম্বাররা এমন কোনো কাজ করুক যাতে আমরা বিতর্কিত হই, এমন কিছু আমি চাইব না। আমরা চেষ্টা করো পূর্ণ সততা নিয়ে যাতে কাজ করতে পারি। তবে আমি নিশ্চিত, আমাদের ভুল থাকবে। মানুষ হিসেবে ভুল হবেই। ঐ ভুল কত দ্রুত শোধরাতে পারি, তাই মুখ্য।’আরও পড়ুন: ক্রিকেটের স্বার্থে কোনো ধরনের আপস করা হবে না: তামিম অতীতের মতোই রাজনৈতিক প্রভাবে আচ্ছন্ন ছিল এবারের একপেশে বিসিবি নির্বাচন। কাউন্সিলর মনোনয়নসহ পুরো প্রক্রিয়াটিই ছিল একটি পূর্বনির্ধারিত ছক, যার কারণে একে স্রেফ ‘আনুষ্ঠানিকতা’ মনে হওয়াই স্বাভাবিক। আর এই ছক মেনেই তামিম নির্বাচিত হয়েছেন বিসিবির ২১তম সভাপতি।তামিম অবশ্য বললেন, ‘আমি একটা জিনিস একদম স্পষ্ট করে বলেছি যে (পরিচালকদের), আপনাদের ব্যক্তিগত পরিচয় যা–ই থাকুক না কেন, আমাদের দায়িত্ব একটাই; আর ওই দায়িত্বের কারণেই আমরা এখানে আজকে বসা। ওটা হলো বাংলাদেশ ক্রিকেটের সেবা করা, বাংলাদেশ ক্রিকেটকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।’সব পদে নয়, আজ মিরপুর বিসিবি কার্যালয়ে কেবল নির্দিষ্ট কিছু পদে নির্বাচন হয়েছে। ক্যাটাগরি-১-এর ১০ জন পরিচালকের মধ্যে ৭ জন আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় বাকি ৩ পদের জন্য ভোট হয়। এর মধ্যে সাতটি বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার ভেতর নির্বাচন সীমাবদ্ধ ছিল কেবল খুলনা ও বরিশাল বিভাগে।

Go to News Site