Collector
দক্ষিণ এশিয়ায় নয়া সাম্রাজ্যবাদের ছায়া? | Collector
দক্ষিণ এশিয়ায় নয়া সাম্রাজ্যবাদের ছায়া?
Jagonews24

দক্ষিণ এশিয়ায় নয়া সাম্রাজ্যবাদের ছায়া?

বাংলাদেশ প্রবেশদ্বার বটে! তবে মূল লক্ষ্য কিন্তু চীন-ভারতকে ঘিরে। দক্ষিণ এশিয়ার দুই পরাশক্তি ইতোমধ্যেই বৈশ্বিক শক্তি হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করায় একক আধিপত্যবাদী শক্তির মাথাব্যথা বেড়েছে। একক কর্তৃত্বের লড়াইয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক অঞ্চলে পরিণত হয়েছে এ অঞ্চল। সাম্রাজ্যবাদের নতুন, নগ্ন, অমানবিক ও নিষ্ঠুর থাবার লক্ষ্য এখন পুরো দক্ষিণ এশিয়া। “মাছের তেলে মাছ ভাজা” কিংবা “কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা”—এ ধরনের কৌশলের খেলাঘরে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। ভারত-পাকিস্তান, ভারত-চীন এবং বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যকার বৈরিতা ও অবিশ্বাসের পুরোনো তত্ত্বকে কাজে লাগিয়ে সমরাস্ত্র, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ কিংবা কট্টরপন্থার উগ্রতায় তরুণ সমাজকে বিভ্রান্ত করে অস্থিতিশীল করাই যেন মূল লক্ষ্য। জীবন-জীবিকার মান নিম্নমুখী করে জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক ধারা ও চিন্তার বিনাশ ঘটিয়ে পুরো অঞ্চলের জনমানুষকে এক ধরনের দাসত্বের জীবনে ফিরিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টাও দৃশ্যমান। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর সম্প্রতি বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে এমনই একটি ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি সরাসরি আঙুল তুলেছেন আন্তর্জাতিক অর্থলগ্নিকারী ও বহুল আলোচিত বিলিয়নিয়ার জর্জ সোরোসের দিকে। বিশ্বরাজনীতির নানা প্রভাব বিস্তারের কৌশলে ব্যবহৃত হাতিয়ারগুলোর অন্যতম হিসেবে বিবেচিত জর্জ সোরোসের দেশে দেশে ‘রেজিম চেঞ্জ’-এর ভূমিকার বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেছেন। তাঁর ভাষায়, এই ব্যক্তি কেবল “বয়স্ক, ধনী, একগুঁয়ে এবং বিপজ্জনকই” নন, বরং ভারতের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে এক গভীর ছায়াযুদ্ধের অন্যতম হোতা। সময় থাকতে চীন ও ভারতের উচিত আঞ্চলিক সহযোগিতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং স্থিতিশীলতার ভিত্তিতে নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলা। ভিন্নমত থাকতেই পারে, প্রতিযোগিতাও থাকবে; কিন্তু সেই প্রতিযোগিতা যেন কোটি কোটি মানুষের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে না দেয়। সাম্রাজ্যবাদী বা আধিপত্যবাদী যে কোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সম্মিলিত অবস্থানই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ। ভারতের বর্তমান নেতৃত্ব বিষয়টি এতদিনে উপলব্ধি করেছে কি না, সেটি বিতর্কের বিষয়। তবে আমার লেখনীতে বিভিন্ন সময় আমি বলে এসেছি যে, পুরো ভারতীয় উপমহাদেশ তথা দক্ষিণ এশিয়ার উর্বর ভূমি, বিপুল জনসংখ্যা, সস্তা শ্রম এবং উৎপাদনশীল মানবসম্পদই এই অঞ্চলের অর্থনীতির মূল শক্তি। এখানকার শ্রমজীবী মানুষ বিনোদনের মোহে নয়, বরং পরিশ্রম ও উৎপাদনের মধ্যেই জীবনের অর্থ খুঁজে পান। সুতরাং প্রাচীন যুগ থেকে মধ্যযুগ, ষোড়শ থেকে উনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত খান, মুঘল, চেঙ্গিস, ডাচ, ওলন্দাজ, ব্রিটিশ ও ফরাসি শক্তিগুলোর লোভাতুর দৃষ্টিতে বাংলা ও ভারতীয় উপমহাদেশ বারবার আক্রান্ত হয়েছে। লুটপাটের মাধ্যমে শোষিত হয়েছে এ অঞ্চলের সম্পদ। একবিংশ শতাব্দীতে জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষের ফলে দক্ষিণ এশিয়া আবারও কৃষি, শিল্প, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার এক সমৃদ্ধ অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। ফলে এবারও নজর পড়েছে বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও ভারতের মতো বিপুল জনসংখ্যা ও বৈচিত্র্যময় রাষ্ট্রগুলোর ওপর। এ অঞ্চলে প্রবেশের দ্বার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে সেই ভূখণ্ড, যা ১৭৫৭ সালের মতো আজও নানা বিভাজন, অবিশ্বাস ও দুর্বলতার মধ্যে রয়েছে। ইতিহাসের মীরজাফরদের স্মৃতি যেন নতুনভাবে ফিরে আসে রাজনৈতিক বাস্তবতার নানা আলোচনায়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে অনেকেই নতুন বিতর্কের অবতারণা করেছেন। তাঁদের মতে, আন্তর্জাতিক শক্তির প্রভাব ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নতুন এক অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়েছে। এ প্রসঙ্গে কেউ কেউ পলাশীর যুদ্ধের পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গেও তুলনা টানেন। যদিও ইতিহাস ও বর্তমান বাস্তবতার মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে, তবু উপমাটি রাজনৈতিক আলোচনায় বারবার ফিরে আসে। সমালোচকদের মতে, গত দেড় বছরে বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামো, রাজনীতি ও সামাজিক পরিবেশে নানা পরিবর্তন ঘটেছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি, কথিত ‘মব সংস্কৃতি’, সামাজিক বিভাজন এবং পারস্পরিক অবিশ্বাসের প্রসার নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করা হচ্ছে। তাঁদের আশঙ্কা, এসব প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় ঐক্য ও জাতীয়তাবাদী চেতনাকে দুর্বল করতে পারে। মোদ্দা কথা হলো, এ অঞ্চলের মানুষ যেন শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে বিকশিত হতে না পারে—এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করার আশঙ্কা অনেকেই প্রকাশ করছেন। বাংলাদেশের ভেতরে নানা অস্থিরতা সৃষ্টি করে বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের ক্ষেত্র প্রস্তুত করার অভিযোগও রয়েছে। ভারত-পাকিস্তান, চীন-ভারত কিংবা বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ঐতিহাসিক বৈরিতাকে উসকে দিয়ে ভবিষ্যতে আরও বড় সংঘাতের মঞ্চ তৈরি হতে পারে বলেও কেউ কেউ মনে করেন। সাম্রাজ্যবাদী ও উপনিবেশবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়া বাড়ানো জরুরি। চীন ও ভারতের মতো বৃহৎ শক্তিরও উচিত নিজেদের প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার প্রশ্নে সমঝোতার পথ খোঁজা। কারণ ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, বিভক্ত ও দুর্বল অঞ্চলই বহিরাগত শক্তির হস্তক্ষেপের সবচেয়ে সহজ শিকার হয়। বাংলা অঞ্চল বহুবার সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের প্রবেশদ্বার হয়েছে। তাই ইতিহাসের শিক্ষা থেকে শিক্ষা নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর উচিত নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভাজন কমিয়ে সহযোগিতা, উন্নয়ন ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পথকে শক্তিশালী করা। অন্যথায় এই অঞ্চলের কোটি কোটি মানুষের ভবিষ্যৎ আবারও অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে। ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ‘অখণ্ড ভারতের’ কথা বলে নিজ দেশে নিজের দলের অস্তিত্ব ও ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করতে মরিয়া হয়েছে? বাংলাদেশ প্রশ্নে ভারত ও আমেরিকার সঙ্গে কৌশলগত সমঝোতায় এক ধরনের দ্বৈত খেলায় নেমেছে? ১৫০ কোটিরও বেশি মানুষের দেশ ভারত—বহু জাতিগোষ্ঠী, ভাষা ও ধর্মের এই বিশাল রাষ্ট্রে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) দীর্ঘমেয়াদে ক্ষমতায় থাকার রাজনৈতিক ভিত্তি সুদৃঢ় করতে চায়। কিন্তু দেশটি যে পরাশক্তিগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে, তাতে ‘অখণ্ড ভারতের’ স্বপ্ন কোনো ঝুঁকির মুখে পড়ছে না তো? ভারত ও দেশটির জনগণ দীর্ঘ দুই শতাব্দীর উপনিবেশিক শাসনের ক্ষত আজও বহন করে চলেছে। সেই ক্ষত কি মাত্র ৭৮ বছরের স্বশাসনে ভুলে যাওয়া সম্ভব? ১৭৫৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসন-শোষণের প্রবেশদ্বার ছিল বাংলা অঞ্চল, ভাগীরথীর তীরের মুর্শিদাবাদ। গত দুই বছরে বাংলাদেশে যা ঘটেছে, তা প্রতিবেশী ভারত ও চীনের জন্যও এক ধরনের অশনিসংকেত। কারণ বেহুলা-লখিন্দরের বাসরঘরে সাপ যেমন গোপনে প্রবেশ করেছিল, তেমনি ইতিহাসের নানা পর্যায়ে ‘বাংলা অঞ্চল’ই বহিরাগত শক্তির প্রবেশের দ্বার হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ—এই দুই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও শান্তি না থাকলে বৃহত্তর ভারতীয় উপমহাদেশের শান্তি ও বহুজাতিক সমাজব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ভারতের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী চীনকে দুর্বল করার কৌশল কিংবা চীনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের কিছু কট্টরপন্থী রাজনৈতিক শক্তির প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণের অভিযোগ—এসব বিষয় নিয়ে নানা আলোচনা রয়েছে। যদি আঞ্চলিক কৌশলগত প্রতিযোগিতা অতি মাত্রায় বৃদ্ধি পায়, তবে তা শেষ পর্যন্ত এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়াতে পারে। একই সঙ্গে চীনের মতো বৃহৎ উৎপাদননির্ভর অর্থনীতির দেশও দীর্ঘমেয়াদে অস্থিরতার ঝুঁকিতে পড়তে পারে। বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে ভারত-চীনের কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা যদি প্রক্সি প্রতিযোগিতায় রূপ নেয়, তবে সেটি শেষ পর্যন্ত ‘দুধ-কলা দিয়ে সাপ পোষার’ পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে। মোদ্দা কথা, ভারতের উচিত হবে কেবল রাজনৈতিক আধিপত্যের চিন্তা না করে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার প্রশ্নে অধিকতর দূরদর্শী হওয়া। একইভাবে চীনেরও উপলব্ধি করা প্রয়োজন যে, স্বল্পমেয়াদি কৌশলগত সুবিধার জন্য এমন শক্তিকে প্রশ্রয় দেওয়া উচিত নয়, যা ভবিষ্যতে পুরো অঞ্চলের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ভারতীয় উপমহাদেশ ৭৮ বছর আগে ব্রিটিশ শাসনের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছে। এই অঞ্চলকে নতুন কোনো সাম্রাজ্যবাদের আস্তানায় পরিণত করার প্রচেষ্টা যে কোনো মূল্যে প্রতিহত করা প্রয়োজন। কারণ আধুনিক সাম্রাজ্যবাদ অতীতের উপনিবেশবাদের চেয়েও জটিল। এর লক্ষ্য কেবল ভূখণ্ড নয়; অর্থনীতি, সংস্কৃতি, রাজনীতি, তথ্যপ্রবাহ ও সামাজিক কাঠামোর ওপর প্রভাব বিস্তার করা। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের অভিজ্ঞতা দেখায়, যখন কোনো দেশ বা অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা সৃষ্টি হয়, তখন সেখানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জাতীয় ঐক্য দুর্বল হয়ে পড়ে, মানুষের মধ্যে বিভেদ বাড়ে এবং বহিরাগত শক্তির প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি হয়। ইতিহাসে ইউরোপীয় উপনিবেশবাদী শক্তিগুলো আফ্রিকা ও এশিয়ার বহু অঞ্চলে সম্পদ আহরণ করেছে। আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে দীর্ঘ উপনিবেশিক শাসনের ফলে রাজনৈতিক অস্থিরতা, দারিদ্র্য ও বৈষম্যের যে উত্তরাধিকার সৃষ্টি হয়েছে, তা আজও পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। একইভাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের দীর্ঘ সংঘাত ও অস্থিতিশীলতাও বিশ্বরাজনীতির জন্য বড় শিক্ষা। আজকের বিশ্বে উগ্রবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস চরমপন্থা কোনো একটি দেশের সমস্যা নয়; এটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ। আল-কায়েদা, তালেবান, আইএসসহ বিভিন্ন উগ্রবাদী সংগঠনের কর্মকাণ্ড মুসলিম বিশ্বসহ সমগ্র মানবসমাজের জন্য ব্যাপক ক্ষতির কারণ হয়েছে। ফলে এ ধরনের প্রবণতাকে প্রশ্রয় না দিয়ে সকল রাষ্ট্রের উচিত শান্তি, সহনশীলতা ও উন্নয়নের রাজনীতি শক্তিশালী করা। শতাব্দীর পর শতাব্দী ব্রিটিশ শাসনের শিকার এই অঞ্চলের জনমানুষ। স্বশাসনের মাত্র ৭৮ বছরে কি তারা আবারও কোনো নতুন সাম্রাজ্যবাদের ফাঁদে পড়বে? চীন ও ভারতের মতো আঞ্চলিক শক্তি বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও দক্ষিণ এশিয়া কি আবারও বহিরাগত শক্তির প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র হয়ে উঠবে? এই প্রশ্নগুলো আজ গুরুত্বপূর্ণ। সময় থাকতে চীন ও ভারতের উচিত আঞ্চলিক সহযোগিতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং স্থিতিশীলতার ভিত্তিতে নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলা। ভিন্নমত থাকতেই পারে, প্রতিযোগিতাও থাকবে; কিন্তু সেই প্রতিযোগিতা যেন কোটি কোটি মানুষের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে না দেয়। সাম্রাজ্যবাদী বা আধিপত্যবাদী যে কোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সম্মিলিত অবস্থানই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ। লেখক: বিশেষ প্রতিনিধি, চ্যানেল আই; গবেষক ও কলামিস্ট। এইচআর/এএসএম

Go to News Site