Collector
ঢামেকে সংরক্ষণের ফ্রিজ নষ্ট, মরদেহ পচে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ | Collector
ঢামেকে সংরক্ষণের ফ্রিজ নষ্ট, মরদেহ পচে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ

ঢামেকে সংরক্ষণের ফ্রিজ নষ্ট, মরদেহ পচে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ

এক সপ্তাহ ধরে মরদেহ সংরক্ষণের ফ্রিজ নষ্ট। আর এতে করে মরদেহ পচে-গলে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে চারপাশে। এমন চিত্র ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে। যেখানে প্রতিদিন ময়নাতদন্ত হয় অন্তত ৮-১০টি মরদেহের। লাশ যথাযথ প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় এখন দেখা দিয়েছে, মরদেহের বিভিন্ন আলামত নষ্টের আশঙ্কা।সোমবার (৮ জুন) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, কলেজের ফরেনসিক বিভাগের পাশে রাখা বিশেষ মরচুয়ারি কুলার। যেখানে একসঙ্গে রাখা যায় ৪০টি মরদেহ। তবে এটি আপাতত বিকল। তাহলে লাশ সংগ্রহের উপায় কি? মর্গের কমপ্লেক্সের ভেতর ঢুকলে দেখা যায়, একটি রুমে ফ্লোরে সারি করে রাখা হয়েছে লাশগুলো। কয়েকটি রাখা হয়েছে লাশ পরিবহনের ট্রলিতে। তবে রুমটিতে নেই কোনো শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র। মর্গ সংশ্লিষ্টরা জানান, ইতোপূর্বে ৫টি ছোট ছোট ফ্রিজারে রাখা হতো লাশগুলো। তবে সেই ফ্রিজারগুলো অকেজো হয়ে পড়ায় কয়েক বছর আগে মর্গে স্থাপন করা হয় বিশেষ মরচুয়ারি কুলার। যেখানে একসঙ্গে ৪০টি মৃতদেহ রাখা যায়। তবে গত এক সপ্তাহ ধরে কুলারটি পুরোপুরি বিকল হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় কীভাবে লাশ সংরক্ষণ করা হচ্ছে জানতে চাইলে তারা বলেন, নিরুপায় হয়ে ফ্লোরে রাখা হচ্ছে লাশগুলো। এভাবে লাশ থেকে বিভিন্ন আলামত নষ্ট হয়ে যেতে পারে বলে জানান তারা। রয়েছে ইঁদুরের আক্রমণের সম্ভাবনাও। এছাড়া, লাশের গন্ধে ক্লাস করতে পারছেন না ফরেনসিক বিভাগের শিক্ষার্থীরা। আরও পড়ুন: ফরেনসিক বিভাগের প্রধান / ২০২৫ সালেই ১১০০ নারী ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে ঢামেক হাসপাতালে এসেছেন এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে নষ্ট অবস্থায় আছে ঢামেকের ফরেনসিক বিভাগের অবস্থিত বিশেষ মরচুয়ারি কুলার। ছবি সংগৃহীত এদিকে, ঢামেকের অধ্যক্ষ বরাবর লেখা একটি আবেদনপত্রে দেখা যায়, ফরেনসিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. কাজী গোলাম মোখলেছুর রহমান মরচুয়ারি কুলার অকেজো হয়ে পড়ার বিষয়টি অবগত করেছেন। ওই আবেদনে লেখা হয়, এটি দ্রুত সময়ের মধ্যে মেরামত করা অতি জরুরি। ২ জুন বিষয়টি অবগত করা হলেও ৮ জুনেও এর কোনো সুরাহা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে ফরেনসিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. কাজী গোলাম মোখলেছুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। আরও পড়ুন: হাম মোকাবিলায় ঢামেকে চালু হচ্ছে ফিল্ড হাসপাতাল তবে ঢামেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মাজহারুল শাহীনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা বিষয়টি অবগত আছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে সমস্যা সমাধান হবে।

Go to News Site