Collector
তনু হত্যা: ১০ বছর পর দুই সাবেক সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা | Collector
তনু হত্যা: ১০ বছর পর দুই সাবেক সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

তনু হত্যা: ১০ বছর পর দুই সাবেক সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর সাবেক দুই সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৮ জুন) বিকেলে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ আদালতের বিচারক মুমিনুল হক এ আদেশ দেন। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়া সাবেক দুই সেনা সদস্য তৎকালীন কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান (ওরফে জাহিদ) এবং সৈনিক শাহীন আলম। তনু হত্যাকাণ্ডের সময় জাহিদ কুমিল্লা সেনানিবাসের ১২ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার গড়ঘাটা এলাকায়। এরই মধ্যে তিনি সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। অন্যদিকে, সৈনিক শাহীন আলমের বাড়ি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে। তনু হত্যার সময় তিনি কুমিল্লা সেনানিবাসের ২ সিগন্যাল ব্যাটালিয়নে কর্মরত ছিলেন। একটি সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। তার বয়স ৩৭ বছর এবং তিনিও সেনাবাহিনী থেকে অবসর নিয়েছেন। আরও পড়ুন: আবারও আলোচনায় তনু হত্যা মামলা, তদন্তে নতুন মোড়! এর আগে, দুপুরে তনু হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি হাফিজুর রহমান নিয়মিত হাজিরার অংশ হিসেবে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হন। তাকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হলেও শুনানি শেষে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা আদালতের কোর্ট পরিদর্শক মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ। প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু। পরদিন সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসসংলগ্ন জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন তনুর বাবা। প্রথমে থানা পুলিশ, পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং পরবর্তীতে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দীর্ঘ সময় তদন্ত চালিয়েও হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেনি। আরও পড়ুন: তনু হত্যা মামলা: ডিএনএ পরীক্ষায় আরও ১ পুরুষের নমুনা শনাক্ত পরে পুলিশ সদর দফতরের নির্দেশে ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর মামলার নথি সিআইডি থেকে পিবিআই সদর দফতরে হস্তান্তর করা হয়। প্রায় চার বছর ধরে মামলাটি তদন্ত করেন পিবিআই সদর দফতরের পুলিশ পরিদর্শক মো. মজিবুর রহমান। সর্বশেষ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মামলার ষষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পান পরিদর্শক মো. তারিকুল ইসলাম। তদন্তে তনুর মরদেহের কাপড়ে তিন ব্যক্তির ডিএনএ পাওয়া যায়। পরে পিবিআই তদন্তে আরও এক ব্যক্তির ডিএনএ শনাক্ত হয়।

Go to News Site