Somoy TV
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের উপকূল বা দ্বীপপুঞ্জে হামলা চালালে পারস্য উপসাগরজুড়ে নৌ-মাইন স্থাপনের হুমকি দিয়েছে ইরান। দেশটি সতর্ক করে বলেছে, এ ধরনের পদক্ষেপ কার্যকরভাবে এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জলপথগুলো বন্ধ করে দিতে পারে।ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে দেয়া এক বিবৃতিতে ইরানের জাতীয় প্রতিরক্ষা পরিষদ বলেছে, ‘শত্রুপক্ষ’ যদি ইরানের উপকূল বা দ্বীপপুঞ্জকে লক্ষ্যবস্তু করার কোনো চেষ্টা করে, তবে তার জবাবে পুরো উপসাগর জুড়ে প্রবেশপথ ও যোগাযোগ লাইনে মাইন পাতা হবে।এতে বলা হয়, এই পদক্ষেপগুলোর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের নৌ-মাইন অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যার মধ্যে উপকূল থেকে নিক্ষেপযোগ্য ভাসমান মাইনও রয়েছে। আরও পড়ুন:হরমুজ প্রণালী নিয়ে নতুন বার্তা ইরানেরবিবৃতিতে আরও সতর্ক করা হয়েছে যে, এমন পরিস্থিতিতে সমগ্র পারস্য উপসাগর দীর্ঘ সময়ের জন্য হরমুজ প্রণালীর মতো পরিস্থিতির সম্মুখীন হবে, যার ফলে সামুদ্রিক পথগুলো কার্যকরভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। এমন পরিণতির দায় হামলাকারী পক্ষের ওপর বর্তাবে বলে এতে বলা হয়। পরিষদ আরও বলেছে যে, ‘সংঘাতে অংশগ্রহণকারী নয় এমন’ দেশগুলোর জন্য হরমুজ প্রণালী নিরাপদে অতিক্রম করার একমাত্র উপায় হবে ‘ইরানের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে।’ এদিকে, রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম অনুসারে, এর পাশাপাশি দেশটির প্রতিরক্ষা পরিষদ সতর্ক করেছে, ইরানের দক্ষিণ উপকূল বা দ্বীপপুঞ্জে যেকোনো হামলার জবাবে সমুদ্রে মাইন পাতা হবে, যা উপসাগরীয় নৌপথ বিচ্ছিন্ন করে দেবে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের ওপর যৌথ হামলা চালানোর পর থেকে আঞ্চলিক উত্তেজনা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে, যাতে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিসহ এ পর্যন্ত ১,৩০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আরও পড়ুন:ইসরাইল ও উপসাগরীয় দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুঁশিয়ারি আইআরজিসিরএর প্রতিশোধ হিসেবে ইরান ইসরাইল, জর্ডান, ইরাক এবং মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনকারী উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, যার ফলে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে এবং বৈশ্বিক বাজার ও বিমান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। সূত্র: আনাদোলু
Go to News Site