Somoy TV
বরিশাল বিভাগসহ পাশের দুই জেলায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ কিছুটা কম থাকলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, বর্তমানে এই অঞ্চলে প্রতিদিন প্রায় আট লাখ লিটার জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। যদিও তা চাহিদার তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ কম।বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মেঘনা পেট্রোলিয়ামের সিনিয়র কর্মকর্তা আনিসুর রহমান।বরিশাল বিভাগের ছয় জেলা এবং পার্শ্ববর্তী মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলায় জ্বালানি তেলের এই বিশাল চাহিদা পূরণ করে রাষ্ট্রায়ত্ত তিন কোম্পানি পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা। মূলত এই তিন কোম্পানির ডিপো থেকেই প্রতিদিন পাম্পগুলোতে তেল সরবরাহ করা হয়।মেঘনা পেট্রোলিয়াম বরিশালের সিনিয়র কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, 'বর্তমানে চাহিদার তুলনায় গড়ে ২০ শতাংশ কম তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। যাতে সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে কৃত্রিম কোন সংকট সৃষ্টি না হয়। তবে সরবরাহ কিছুটা কম হলেও মাঠ পর্যায়ে এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি।'আরও পড়ুন: জেট ফুয়েলের দামে ফের বড় লাফ, লিটারে বাড়ল কত?বিভাগজুড়ে নিবন্ধিত পেট্রোল পাম্পের সংখ্যা শতাধিক। সরেজমিনে দেখা গেছে, পাম্পগুলোতে তেল নিতে আসা গ্রাহকদের মোটরসাইকেলে একবারে সর্বোচ্চ ৩শ’ টাকা এবং প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাসে ১৫শ’ থেকে দুই হাজার টাকার জ্বালানি দেয়া হচ্ছে। তবে কোথাও সংকট বা দীর্ঘ সারি দেখতে পাওয়া যায়নি।ডিপো কার্যালয়ের তথ্যমতে বরিশাল বিভাগ ও পাশের মাদারীপুর এবং শরিয়তপুরে প্রতিদিন ডিজেলের চাহিদা রয়েছে ৬ লাখ ৬০ হাজার লিটার, কিন্তু সরবরাহ হচ্ছে পাঁচ লাখ ৫০ হাজার লিটার। অকটেনের চাহিদা রয়েছে ৬০ লিটার, সরবরাহ রয়েছে ৫০ হাজার লিটার এবং পেট্রোলের চাহিদা রয়েছে দুই লাখ ৪০ হাজার লিটার। যার মধ্যে সরবরাহ হচ্ছে দুই লাখ লিটার।এদিকে বরিশাল মহানগরীর কয়েকটি পেট্রোল পাম্প কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তাদের চাহিদার চেয়ে কিছুটা কম তেল দেওয়া হচ্ছে। তবে ডিপো থেকে নিয়মিত তেল পাওয়ায় বড় ধরনের কোনো সংকট তৈরি হয়নি।
Go to News Site