Jagonews24
মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত ইরানের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবে প্রথম সমর্থন দিয়েছিলেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ছোট যুদ্ধের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান তথা ইরানে হামলার চালানোর পক্ষে হেগসেথই প্রথম উৎসাহ জুগিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। টেনেসি অঙ্গরাজ্যের মেমফিসে সোমবার (২৩ মার্চ) ‘সেফ টাস্ক ফোর্সের’ এক গোলটেবিল বৈঠকে ট্রাম্প এ কথা বলেছেন। এই বৈঠকে ট্রাম্পের পাশেই বসা ছিলেন পেন্টাগন প্রধান হেগসেথ। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি পিটকে ডাকলাম, জেনারেল কেইনকে ডাকলাম। আমাদের আরও অনেক দক্ষ মানুষকে ডেকে বললাম, আসুন আলোচনা করি। মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের একটি সমস্যা আছে। ইরান নামের দেশটি ৪৭ বছর ধরে সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে। তারা এখন পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। আমরা চাইলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে দিতে পারি, অথবা মধ্যপ্রাচ্যে একটি ছোট অভিযানের মাধ্যমে এই বড় সমস্যার সমাধান করে ফেলতে পারি।’ হেগসেথের দিকে তাকিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘পিট, আমার মনে হয় আপনিই প্রথম মুখ খুলেছিলেন। আপনিই বলেছিলেন, চলুন শুরু করি। কারণ, তাদের হাতে কিছুতেই পারমাণবিক অস্ত্র আসতে দেওয়া যাবে না।’ বৈঠকে দায় চাপানোর পাশাপাশি হেগসেথের প্রশংসা করে ট্রাম্প দাবি করেন, তেহরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের খুব ভালো আলোচনা চলছে। তবে ট্রাম্পের এ দাবিকে ‘ভুয়া খবর’ বলে জানিয়েছে ইরান। তেহরানের দাবি, এসব কথা ট্রাম্পের সময়ক্ষেপণের কৌশল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়। এর প্রতিবাদে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা শুরু করে ইরান যা এখন চতুর্থ সপ্তাহে গড়িয়েছে। সূত্র: ইকোনোমিক টাইমস/ হিল কে এম
Go to News Site