Somoy TV
বুধবার বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিট। দৌলতদিয়া ঘাটে পন্টুন থেকে পদ্মায় পড়ে গেল সৌহার্দ্য পরিবহনের বাস। এ বাসে যাত্রী ছিল ৪৫ থেকে ৫০ জনের মতো। এর মধ্যে ৭ জন সাঁতরে উপরে উঠতে সক্ষম হয়েছেন। বাকিটা ৮০ ফুট পানি নিচে ডুবে থাকা বাসের মধ্যে রয়েছেন।বুধবার (২৫ মার্চ) রাত ১০টার দিকে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন গোয়ালন্দ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা।এদিকে রাজবাড়ীর সিভিল সার্জন ডা. এসএম মাসুদ জানান, ফেরিঘাট থেকে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।আরও পড়ুন: ডুবে যাওয়া বাস থেকে ২ নারীর মরদেহ উদ্ধারফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের কমান্ডার মো. বেলাল উদ্দিন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ৪০ জনের মতো যাত্রী পানির নিচে রয়েছে। ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের দুজন ডুবুরি, দুজন সহকারী ডুবুরি উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট ফায়ার সার্ভিসের একটি দল উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছে।ফায়ার সার্ভিস জানায়, আস্তে আস্তে বাসটি পদ্মা নদীর ৮০ ফুট নিচে চলে গেছে। উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা বাসটি উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। আরও পড়ুন: পন্টুনের নিচে বাস, ভাঙা যাচ্ছে না দরজা-জানালাপ্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উদ্ধারকারী জাহাজ অনেক দেরিতে এসেছে পৌঁছেছে। তাছাড়া ফায়ার সার্ভিস ডুবুরি দলও এক ঘণ্টার বেশি সময় পর উদ্ধার কাজ শুরু করেছেন। সৌহার্দ্য বাসে থাকা আবদুল আজিজুল নামে এক যাত্রী জানান, তিনি রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার গান্ধীমারা এলাকা থেকে এই বাসটিতে উঠেছিলেন। নদীতে পড়ে যাওয়ার পর তিনি সাঁতরে উপরে উঠতে পারলেও তার স্ত্রী ও শিশুসন্তান নিখোঁজ রয়েছেন।আরও পড়ুন: ফেরিতে ওঠার সময় যাত্রীবাহী বাস উল্টে নদীতে, বহু হতাহতের শঙ্কাবাসটি কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে এসেছিল। খুবই অল্প সংখ্যক যাত্রী সাঁতরে উপরে উঠতে পেরেছেন বলেও জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
Go to News Site