Somoy TV
ইরানের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনকে লক্ষ্য করে একাধিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। তবে এতে রণতরীতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না তা বিস্তারিত জানায়নি তারা।গত বুধবার (২৫ মার্চ) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, রণতরী লক্ষ্য করে ইরানের নৌবাহিনীর ‘কদর’ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র (জাহাজবিধ্বংসী অস্ত্র) ছোড়া হয় এবং এতে জাহাজটিকে অবস্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে। বিবৃতিতে আরও সতর্ক করা হয়, মার্কিন নৌবহর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার মধ্যে এলে ভবিষ্যতেও আরও শক্তিশালী হামলা চালানো হবে। ইরানের নৌবাহিনীর প্রধান শাহরাম ইরানি বলেন, মার্কিন রণতরী ও এর বহরের গতিবিধি সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘শত্রু নৌবহর আমাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় আসামাত্রই শক্তিশালী হামলার মুখে পড়বে।’ আরও পড়ুন: এবার মার্কিন এফ-১৮ যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, ভিডিও প্রকাশ তবে যুক্তরাষ্ট্র সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, জাহাজটি অক্ষত রয়েছে এবং নিয়মিতভাবে বিমান উড্ডয়ন ও সামরিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, তাদের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এখনও স্বাভাবিকভাবে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, রণতরীটি আঞ্চলিক জলসীমায় অবস্থান করে ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোর বিরুদ্ধে বিমান অভিযান পরিচালনা করছে। আরও পড়ুন: ইরান যুদ্ধে মোতায়েন দুই মার্কিন বিমানবাহী রণতরী এখন কোথায় ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসনে যুক্তরাষ্ট্র দুটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করে। এর মধ্যে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন মোতায়েন করা হয় ইরানের দক্ষিণে আরব সাগরে। অন্যদিকে ইউএসএস জেরার্ল্ড আর ফোর্ড মোতায়েন করা হয় লোহিত সাগরে। তবে একের পর এক হামলা চালিয়ে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনকে তটস্থ রেখেছে ইরান। আর একের পর এক দুর্ঘটনার জেরে অকেজো হয়ে পড়েছে ইউএসএস জেরার্ড ফোর্ড। এটি এখন মেরাতের জন্য ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
Go to News Site