ফিরতি যাত্রায় সৈয়দপুরে বিমানের টিকিটের দাম ৩ গুণ
Somoy TV

ফিরতি যাত্রায় সৈয়দপুরে বিমানের টিকিটের দাম ৩ গুণ

ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফিরতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন উত্তর জনপদের যাত্রীরা। বাস ও ট্রেনের টিকিটের তীব্র সংকটের পাশাপাশি আকাশপথেও গুনতে হচ্ছে অস্বাভাবিক ভাড়া। গন্তব্যে পৌঁছাতে বাধ্য হয়ে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দুই থেকে তিনগুণ বেশি দামে বিমানের টিকিট কিনছেন যাত্রীরা।উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার দ্রুত যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম সৈয়দপুর বিমানবন্দর। রংপুর বিভাগের আট জেলার মানুষ জরুরি প্রয়োজনে স্বল্প সময়ে রাজধানীতে পৌঁছাতে এই রুটের ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে ঢাকা-সৈয়দপুর রুটে প্রতিদিন প্রায় ১৮টি ফ্লাইট চলাচল করছে। গড়ে প্রতিদিন ৭ শতাধিক যাত্রী এই রুটে যাতায়াত করেন। স্বাভাবিক সময়ে ঢাকা-সৈয়দপুর রুটে বিমানের সর্বনিম্ন ভাড়া থাকে প্রায় ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা। কিন্তু ঈদের পর যাত্রীদের এই অতিরিক্ত চাপের সুযোগে সেই ভাড়া বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৭০০ থেকে ১২ হাজার ৭০০ টাকায়। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন চাকরিজীবী ও সাধারণ যাত্রীরা; যাদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যেকোনো মূল্যে কর্মস্থলে যোগ দেয়া জরুরি। একাধিক যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, একদিকে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না, অন্যদিকে যা পাওয়া যাচ্ছে তার দাম অনেক বেশি। বাধ্য হয়েই তাদের বেশি টাকা দিয়ে টিকিট নিতে হচ্ছে। আরও পড়ুন: জেট ফুয়েলের অস্বাভাবিক দাম বাড়ায় বিপাকে এয়ারলাইন্সগুলো, বাড়বে আকাশপথের ভাড়া! এদিকে ট্রাভেল এজেন্সি মালিকদের দাবি, ঈদের আগেই কম দামের টিকিট শেষ হয়ে গেছে। এখন চাহিদার চাপেই বেশি দামে টিকিট বিক্রি করতে হচ্ছে। সৈয়দপুরের একটি ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহতাব হোসেন ফাহিম বলেন, ‘আমাদের হাতে কম দামের টিকিট নেই। এয়ারলাইন্স থেকেই যেভাবে ভাড়া নির্ধারণ করা হচ্ছে, সেভাবেই বিক্রি করতে হচ্ছে।’ সার্বিক এই পরিস্থিতিতে টিকিটের মূল্যে নৈরাজ্য ঠেকাতে এবং যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

Go to News Site