Somoy TV
দিনের শুরুতে মাত্র ৩০ সেকেন্ড উল্টো দিকে হাঁটা আপনার দেহ ও মনের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। দেখতে অদ্ভুত হলেও উল্টো হাঁটা শরীর ও মনের জন্য বেশ উপকারী হতে পারে। এটি আমাদের স্বাভাবিক অভ্যাসের বাইরে গিয়ে শরীরকে নতুনভাবে সক্রিয় করে তোলে। ফলে দিনটা শুরু হয় বেশ সতেজভাবে।শরীর ও মস্তিষ্ক: দুই-ই পায় নতুন উদ্যোম উল্টো হাঁটার সময় শরীরের ভারসাম্য রাখতে বেশি মনোযোগ দিতে হয়। এতে আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে মস্তিষ্ক। একই সঙ্গে পায়ের এমন কিছু পেশি কাজ করে, যেগুলো সাধারণ হাঁটায় ততটা সক্রিয় হয় না। ফলে শরীরের সমন্বয় ক্ষমতা বেড়ে যায়।মস্তিষ্কের জন্য কেন উপকারী? উল্টো দিকে হাঁটা এক ধরনের ‘ব্রেন ট্রেনিং’। এতে মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি ও সমন্বয় ক্ষমতা বাড়তে পারে। কারণ এ সময় মস্তিষ্ককে প্রতিটি পদক্ষেপ নতুনভাবে ভাবতে হয়। নিয়মিত এই চর্চা মানসিক তীক্ষ্ণতাও বাড়াতে সাহায্য করে।কী কী উপকার মিলতে পারে?* শরীরের ভারসাম্য ও স্থিরতা বাড়ে,* পায়ের পেশি হয় মজবুত;* সাহায্য করে শরীরের ভঙ্গি ঠিক রাখতে;* হাঁটুর ওপর চাপ কমায়, জয়েন্ট বা সন্ধিস্থলকে রাখে সুরক্ষিত;* মনোযোগ বাড়ায়।জরুরি কিছু সতর্কতাউপকার থাকলেও কিছু ঝুঁকিও রয়েছে—* হোঁচট খেয়ে পড়ার আশঙ্কা,* ভিড় বা অসমান রাস্তায় এ ধরনের হাঁটা বিপজ্জনক;* শুরুতে মাথা ঘোরা বা অস্বস্তি হতে পারে।কতক্ষণ হাঁটবেন?শুরুতে ৩০ সেকেন্ড থেকে ১ মিনিটই যথেষ্ট। পরে ধীরে ধীরে সময় বাড়িয়ে ৫-১০ মিনিট করা যেতে পারে। তবে সবসময় খোলা ও নিরাপদ জায়গা বেছে নেয়াই উচিত। স্ট্রেস কমাতেও কার্যকর উল্টো হাঁটার সময় মন স্বাভাবিক চিন্তা থেকে সরে গিয়ে নতুন কাজে ব্যস্ত হয়। এতে দুশ্চিন্তা কিছুটা কমে এবং এক ধরনের মানসিক প্রশান্তি তৈরি হয়।দেখতে অদ্ভুত হলেও এই ছোট্ট অভ্যাস শরীর ও মনের জন্য বেশ উপকারী হতে পারে। দিনের শুরুতে মাত্র ৩০ সেকেন্ড উল্টো হাঁটা-এ যেন নিজের সঙ্গে এক নতুন সংযোগ তৈরি করার সহজ উপায়। তবে সতর্কতাগুলো মাথায় রেখেই অভ্যাস করুন, তবেই মিলবে সুফল।সূত্র: আনন্দবাজার
Go to News Site