Somoy TV
সাতক্ষীরায় এক বছরে সূর্যমুখীর চাষ দ্বিগুণ বেড়েছে। একই গাছ থেকে তেল ও জ্বালানি পাওয়ার কারণে এই ফসলে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের মধ্যে। চাষ আরও বাড়াতে তারা বিনামূল্যে সার ও কীটনাশক বিতরণের দাবি জানিয়েছেন।সরজমিনে দেখা যায়, সাতক্ষীরার সাত উপজেলাতেই সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে, বিশেষ করে লবণাক্ত এলাকা হিসেবে পরিচিত শ্যামনগর, আশাশুনি ও কালিগঞ্জে উচ্চফলনশীল সূর্যমুখী চাষ বেশি হয়েছে। হলুদ ফুলে ভরা সূর্যমুখী ক্ষেত পুরো মাঠকে গালিচার মতো ঢেকে দিয়েছে, যা দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করছে। অনেকে এখানে আসছেন সেলফি তোলার জন্যও। আরও পড়ুন: কম খরচে বেশি লাভ, কালোজিরা চাষে ঝুঁকছেন সাতক্ষীরার চাষিরা মূলত কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় চাষিদের আগ্রহ বেড়েছে। তেল উৎপাদনের পাশাপাশি জ্বালানি সংগ্রহের সুযোগ থাকায় তারা আরও বেশি উৎসাহী। সরকারের কাছে কৃষকেরা দাবি করছেন, সার ও কীটনাশক বিনামূল্যে বিতরণ করা হলে চাষ আরও বাড়বে, যা কৃষকের পাশাপাশি সরকারের জন্যও লাভজনক হবে। জেলা কৃষি কর্মকর্তার আশ্বাস, সূর্যমুখীর চাষ বাড়াতে তারা কৃষকের পাশে থাকবেন। সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম বলেন, তেল ফসল উৎপাদনে সূর্যমুখী উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। লবণাক্ত এলাকার কারণে এখানে ফলন ভালো, যা দেশের তেল ফসলের চাহিদা মেটাতে সাহায্য করবে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর সূর্যমুখীর চাষ হয়েছিল ১০৭ হেক্টর জমিতে। এবার তা দ্বিগুণ হয়ে ২২৮ হেক্টরে পৌঁছেছে।
Go to News Site