Collector
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সবশেষ সংঘর্ষের কারণ জানাল আইআরজিসি | Collector
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সবশেষ সংঘর্ষের কারণ জানাল আইআরজিসি
Somoy TV

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সবশেষ সংঘর্ষের কারণ জানাল আইআরজিসি

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গত শুক্রবারের (৫ জুন) সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাঙ্কার চলাচল ঘিরে।ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি জানায়, আইআরজিসি ঘটনাপ্রবাহের একটি ধারাবাহিক বর্ণনা দিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, মার্কিন বাহিনীর পাহারায় চারটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার অবৈধভাবে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করার চেষ্টা করছিল। আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, এর মধ্যে একটি ট্যাঙ্কারকে লক্ষ্যবস্তু করা হয় এবং থামিয়ে দেওয়া হয় এবং বাকি জাহাজগুলো ফিরিয়ে দেয়া হয়। এরপর তাদের নৌবাহিনী সতর্কবার্তা দেয়। আইআরজিসির মতে, এর কিছুক্ষণ পরই যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক ড্রোন কেশম দ্বীপের একটি টেলিকমিউনিকেশন ব্যাবস্থায় আঘাত হানে। একই সময় সিরিকের একটি বন্দরে দুটি প্রজেক্টাইল নিক্ষেপ করে হামলা চালানো হয়।’ জবাবে আইআরজিসি কুয়েতে দুটি মার্কিন বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায়। আরও পড়ুন: ইরান ও হিজবুল্লাহর ওপর চটলেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট এরপর এক বিবৃতিতে আইআরজিসির সতর্ক করে বলে, ‘ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে সীমিত প্রতিক্রিয়া যথেষ্ট হবে না’। আরও জানায়, তেল ও গ্যাস রফতানির জন্য হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়ার পরিণতির দায় ‘আগ্রাসী পক্ষকে’ নিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গত ৮ এপ্রিল সাময়িক যুদ্ধবিরতি হয়। তবে সহিংসতার স্থায়ী অবসানের জন্য আলোচনার চেষ্টা সফল হয়নি। যদিও যুদ্ধবিরতি এখনও বহাল রয়েছে, তবুও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। একই সঙ্গে উভয় দেশ মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যার লক্ষ্য ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধের একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানো। আল জাজিরার প্রতিবেদন মতে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৫ জুন) আবারও হামলা পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে জানায়, ইরানের চারটি ড্রোন তারা ভূপাতিত করেছে। ড্রোনগুলো হরমুজের দিকে ছোড়া হয়েছিল। এরপর গোরুক ও কেশম আইল্যান্ডে উপকূলীয় নজরদারি রাডার স্থাপনায় হামলা চালানো হয়। আরও পড়ুন: বিশ্বের শক্তিশালী সামরিক দেশের বিরুদ্ধে ৪০ দিনের লড়াই ‘ছেলেখেলা’ নয়: আরাঘচি সেন্ট্রাল কমান্ড আরও জানায়, ইরানের ছোড়া ড্রোনগুলো আঞ্চলিক সামুদ্রিক নৌযান চলাচলে হুমকি হয়ে উঠেছিল। আর পরবর্তী হামলা ঠেকাতে রাডার স্থাপনায় হামলা করা হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গেই এই হামলার জবাব দিয়েছে ইরান। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানায়, তারা ‘শত্রুপক্ষের ঘাঁটি’ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। আইআরজিসি বলেছে, ইরানের সিরিক শহর এবং হরমুজ প্রণালীর কেশম দ্বীপে মার্কিন বাহিনীর আগ্রাসনের জবাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। এদিকে কুয়েত জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করেছে। একই সময়ে বাহরাইনে বিমান হামলার সতর্কতাসূচক সাইরেন বেজে ওঠে।

Go to News Site