Collector
জ্বালানি মজুতসহ বিশেষ কমিটির ১২ সুপারিশ | Collector
জ্বালানি মজুতসহ বিশেষ কমিটির ১২ সুপারিশ
Jagonews24

জ্বালানি মজুতসহ বিশেষ কমিটির ১২ সুপারিশ

জ্বালানি তেলের কৌশলগত মজুত সম্প্রসারণ করে কমপক্ষে তিন মাসের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আমদানির উৎস বহুমুখীকরণ নিশ্চিত করা এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন করে ডিজিটাল মনিটরিং চালু করাসহ ১২ দফা সুপারিশ করেছে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় গঠিত বিশেষ কমিটি। রোববার (৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ও বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিন সংসদে কমিটির সভাপতি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণলয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এসব সুপারিশ করেন। বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ২৬ এপ্রিল জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণলয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়।  কমিটির মেয়দ ছিল ৩০ দিন। কার্যপরিধি ছিল সাম্প্রতিক জ্বালানি নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকবিলায় করণীয় সম্পর্কে সুপারিশ সংসদে রিপোর্ট দেওয়া। কমিটির কার্যপরিধি: সাম্প্রতিক জ্বালানি নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকবিলায় করণীয় সম্পর্কে সুপারিশ সংসদে রিপোর্ট প্রদান করা। কমিটির মেয়াদ ছিল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ থেকে ৩০ দিন। কমিটির কার্যক্রম কমিটি ২০২৬ ৩ মে এবং ২০২৬ সালের ১৯ মে বৈঠক করে। বৈঠকে সহায়তা দেওয়ার জন্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান এরফানুল হক এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব জনাব মনির হোসেন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সাচিবিক সহায়তা দেওয়ার জন্য জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ও বিশেষ কমিটির সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুইয়া, কমিটি অফিসার মো. স্বপন বাসার এবং উপ-পরিচালক মো. সাব্বির মাহমুদসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কমিটির ১২ দফা সুপারিশ ১) জ্বালানি তেলের কৌশলগত মজুত সম্প্রসারণ করে কমপক্ষে তিন মাসের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। ২) আমদানির উৎস বহুমুখীকরণ নিশ্চিত করতে হবে। ৩) জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন করে ডিজিটাল মনিটরিং চালু করতে হবে। ৪) অবৈধ মজুত ও পাচার রোধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। ৫) বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার (এলএনজি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি) বাড়াতে হবে। ৬) ঢাকা-চট্টগ্রাম পাইপলাইন ও এসপিএম প্রকল্প এবং ইআরএল-২ দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। ৭) জনসচেতনতা কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। ৮) বিপিসির পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জ্বালানি পণ্য আমদানির বিষয়ে প্রয়োজনীয় স্টাডি করা প্রয়োজন। ৯) রুফটপে সোলার প্যানেল স্থাপন বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সে সোলার চলছে কি না, এর তদারকি জোরদার করার জন্য সুপারিশ করা হয়। ১০) সিস্টেম লস হ্রাস করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা প্রণয়নপূর্বক কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করার সুপারিশ করা হয়। ১১) তেল, গ্যাস, কয়লা, সোলার, উইন্ড এসব খাত থেকে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা প্রণয়নপূর্বক কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণর সুপারিশ করা হয়। ১২) বিশেষ কমিটির কার্যপরিধির আলোকে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে কোনো সুপারিশ পাওয়া গেলে তা রিপোর্টে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এমওএস/এমআইএইচএস

Go to News Site