Jagonews24
দেশে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় তেলের কৌশলগত মজুত সম্প্রসারণ করে কমপক্ষে ৩ মাসের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা, আমদানির উৎস বহুমুখীকরণ নিশ্চিত করাসহ একাধিক সুপারিশ করেছে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি। রোববার জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন কমিটির সভাপতি এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। জ্বালানি পরিস্তিতি মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণ নিয়ে সুপারিশ দেওয়ার জন্য গত ২৬ এপ্রিল এ বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এতে সরকারি দলের ৫ জন বিরোধী দলের ৫ জন সদস্য ছিলেন। কমিটি দুটি বৈঠক করেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, বিশেষ কমিটি মনে করে সাম্প্রতিক জ্বালানি পরিস্তিতি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত হওয়া উচিত। বর্তমান সংকট সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হলেও দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাঠামোগত সংস্কার, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বহুমুখী জ্বালানি উৎস নিশ্চিতকরণ এবং সমন্বিত জাতীয় পরিকল্পনা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। কমিটির অন্য সুপারিশগুলোর মধ্যে আছে—জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন করে ডিজিটাল মনিটরিং চালু, অবৈধ মজুত ও পাচার রোধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা জোরদার করা, বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার (এলএনজি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি) বৃদ্ধি, ঢাকা-চট্টগ্রাম পাইপলাইন ও এসপিএম প্রকল্প এবং ইআরএল-২ দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। জনসচেতনতা কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। বিপিসির পাশপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জ্বালানি পণ্য আমদানির বিষয়ে প্রয়োজনীয় স্টাডি করা প্রয়োজন। রুফ টপে সোলার প্যানেল স্থাপন বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সে সোলার চলছে কি না এর তদারকি জোরদার করার জন্য সুপারিশ করা হয়। সিস্টেম লস হ্রাস করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা প্রণয়নপূর্বক কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করার সুপারিশ করা হয়। তেল,গ্যাস, কয়লা, সোলার, উইন্ড এসব খাত থেকে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা প্রণয়নপূর্বক কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। এমওএস/এমআইএইচএস
Go to News Site