Somoy TV
মাদক পাচার ও অর্থ লন্ডারিং নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দেশটির অপরাধ তদন্ত ও মাদক নিয়ন্ত্রণ বিভাগ পৃথক অভিযানে মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, মাদক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক জেনারেল ডিপার্টমেন্ট পরিচালিত অভিযানে একজন কুয়েতি নাগরিক, একজন ভারতীয়, তিনজন শ্রীলঙ্কান এবং দুইজন বেদুনসহ সাতজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে মাদক প্যাকেজিংয়ের সরঞ্জাম, বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে, যা পাচার ও বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। আরও পড়ুন:কুয়েতে কর্মস্থলে দুর্ঘটনা, প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত অভিযান চলাকালে এক সন্দেহভাজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অভিযোগও আনা হয়। পরে সকল আসামি ও জব্দকৃত আলামত আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এদিকে পৃথক আরেকটি অভিযানে হাওয়ালি এলাকায় মাদক ব্যবসার অর্থ লেনদেনের অভিনব কৌশল উদঘাটন করেছে ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন জেনারেল ডিপার্টমেন্ট। নগদ অর্থের পরিবর্তে মোবাইল ফোন রিচার্জ কার্ড ব্যবহার করে মাদক বিক্রির অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তে জানা যায়, মাদক ক্রেতারা রিচার্জ কার্ড কিনে তার তথ্য পাচারকারীদের কাছে পাঠাতেন। পরে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে সেই কার্ড নগদ অর্থে রূপান্তর করা হতো। প্রথম সন্দেহভাজনকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ নগদ অর্থসহ গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি রিচার্জ কার্ড পুনরায় বিক্রির মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের বিষয়টি স্বীকার করেন। পরবর্তীতে পরিচালিত একটি বিশেষ অভিযানে অর্থ গ্রহণের সময় দ্বিতীয় সন্দেহভাজনকেও আটক করা হয়। তদন্তে আরও জানা যায়, তিনি মাদক সংক্রান্ত মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা এক বন্দির নির্দেশনা অনুযায়ী এই কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন। আরও পড়ুন:কুয়েতে জুয়ার আসর থেকে ২০ প্রবাসী আটক এদিকে, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মাদক পাচার, অর্থ লন্ডারিং এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং সমাজকে এসব অপরাধ থেকে সুরক্ষিত রাখতে কঠোর অবস্থান বজায় রাখা হবে।
Go to News Site