Jagonews24
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেছেন, আমাদের দেশে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল মোটামুটি আছে। কিন্তু স্পেশালাইজড হাসপাতাল নেই। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বাংলাদেশে স্পেশালাইজড হেলথকেয়ার জিরো অবস্থানে নিয়ে যাবো। আগামী কয়েক বছরে অন্ততপক্ষে ৭-৮টি সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল তৈরি করবো। শুক্রবার (৫ জুন) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সামাজিক সংগঠন টিম খোরশেদের উদ্যোগে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাধীনতার ঘোষক শহীর রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে নারায়ণগঞ্জবাসীর কল্যাণে এই সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, ‘পিজি হাসপাতালের (বর্তমানে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) পাশে একটি হাসপাতালের কাজ এরইমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। আমরা চীন সরকারের সঙ্গে কথা বলেছি। যার মাধ্যমে নীলফামারীতে হাজার বেডের একটি স্পেশালাইজড হাসপাতাল তৈরি হবে। তারই ধারাবাহিকাতয় নারায়ণগঞ্জেও হাজার বেডের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল হবে।’ জরুরি চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘একজন রোগী যে কোনো পরিবেশে, জাত-ধর্ম-বর্ণ-রাজনীতি নির্বিশেষে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে এলে (চিকিৎসক) তাকে চিকিৎসা দিতে বাধ্য থাকবে। ইমার্জেন্সি মেডিকেল সার্ভিসের সীমাবদ্ধতা হলো অনেকের বেলায় চিকিৎসকদের পুলিশের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। আমরা এ ধরনের আইনের পরিশোধন করতে চাই, যাতে করে একজন অপরাধীও চিকিৎসা পায়। অপরাধী হলেও চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার আছে।’ টিম খোরশেদের প্রধান সমন্বয়কারী মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, বিকেএমইএর সহ-সভাপতি মোরশেদ সারোয়ার সোহেল, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজীব প্রমুখ। মোবাশ্বির শ্রাবণ/এসআর/এএসএম
Go to News Site