Somoy TV
ব্রাজিল বিশ্বকাপ দল ঘোষণার একদিন আগেই নেইমার জুনিয়র নতুন করে চোটে পড়েছিলেন। তা সত্ত্বেও বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নেন তিনি। ডান পায়ের কাফে পাওয়া ওই চোট তাকে দুটি প্রীতি ম্যাচের কোনোটিতেই খেলতে দেয়নি। বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে নেইমারের খেলা নিয়েও কি শঙ্কা জাগছে না?বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচ ১৪ জুন ভোরে। চোট থেকে সেরে উঠার জন্য নেইমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। নিবিড় পুনর্বাসন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে চাপ কমানোর জন্য ব্যবহার করছেন নাসা-নকশাকৃত একটি অ্যান্টি-গ্র্যাভিটি ট্রেডমিল। ব্রাজিলিয়ান ক্রীড়া সংবাদ মাধ্যম দায়ারিও দো পেইক্সের তথ্য অনুযায়ী, ব্রাজিলের নাম্বার টেন জার্সিধারী ফুটবলার শনিবার (৭ জুন) ডিভাইসটি ব্যবহার করেন।এই ট্রেডমিলটিতে কোমরের চারপাশে একটি বায়ুভর্তি চেম্বার থাকে, যা পায়ের ওপর শরীরের কত শতাংশ ওজন পড়বে তা নিয়ন্ত্রণ করে। এর ফলে চিকিৎসকরা তার উন্নতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অনুশীলনের মাত্রা নির্ধারণ করতে পারেন এবং আহত পেশিতে কম ঝুঁকি নিয়ে হাঁটা ও দৌড়ানোর সুযোগ পান।আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের ঠিক আগে ছিটকে গেলেন ব্রাজিলের ডিফেন্ডারনেইমারের সোমবার (৮ জুন) একটি নতুন এমআরআই পরীক্ষা হওয়ার কথা রয়েছে, এর মাধ্যমে তার গ্রেড-২ মাত্রার চোট কতটা সেরেছে তা মূল্যায়ন করা হবে। যদি পরীক্ষার ফল ব্রাজিলের মেডিকেল দলের কাছে সন্তোষজনক মনে হয়, তাহলে নেইমার মঙ্গলবার থেকে মাঠে অনুশীলন ও শারীরিক সক্ষমতা ফিরে পাওয়ার কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন।অনুশীলনের তীব্রতা ধীরে ধীরে বাড়ানো হবে এবং নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে কাজ করার পরই তাকে দলের সঙ্গে বল নিয়ে অনুশীলনের অনুমতি দেওয়া হবে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাকে প্রস্তুতি ম্যাচগুলোতে খেলানো হয়নি, কারণ খুব দ্রুত মাঠে ফেরানো হলে চোট পুনরায় বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।নেইমার বিশ্বকাপ দলে যোগ দিয়েছিলেন গত ২৭ মে। এরপর থেকে তিনি প্রতিদিন তিনটি ধাপে বিভক্ত একটি পুনর্বাসন রুটিন অনুসরণ করছেন। এর মধ্যে রয়েছে ফিজিওথেরাপি, শক্তি বৃদ্ধির অনুশীলন, জিমে নিয়ন্ত্রিত ওয়ার্কলোড এবং কাফ মাংসপেশির জন্য বিশেষ পুনর্বাসন কার্যক্রম। তিনি গ্রাঞ্জা কোমারি ও যুক্তরাষ্ট্রে, যেখানে ব্রাজিল দল অবস্থান করছে, উভয় স্থানেই চিকিৎসক দলের নির্দেশনা মেনে চলছেন।
Go to News Site