Somoy TV
জামালপুরের মাদারগঞ্জে নদীতে ঘোড়াকে গোসল করাতে গিয়ে জুলহাস মন্ডল (৪২) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে মাদারগঞ্জ উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়ন এবং মেলান্দহ উপজেলার কাহেতপাড়া সীমান্তবর্তী ঝাড়কাটা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্নেহাশিষ রায় নদীতে ডুবে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।নিহত জুলহাস মন্ডল আদারভিটা ইউনিয়নের পোড়াবাড়ি এলাকার মৃত আনার মন্ডলের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ঘোড়ার গাড়ি চালক ছিলেন এবং তা দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করতেন।স্থানীয় বাসিন্দা ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিলার (৪ জুন) বিকেলে জুলহাস মন্ডল তার বাড়ির পূর্ব পাশে ঝাড়কাটা নদীতে নিজের ঘোড়াটিকে গোসল করাতে নিয়ে যান। এ সময় নদীর তীরে তার ৬ বছর বয়সী ছেলে রাহাত দাঁড়িয়ে ছিল। জুলহাস ঘোড়াটিকে নিয়ে নদীতে নেমে ডুব দেন। একপর্যায়ে ঘোড়াটি নদী থেকে তীরে উঠে আসলেও জুলহাস আর পানি থেকে ওঠেননি।বেশ কিছুক্ষণ পার হওয়ার পরও বাবাকে উঠতে না দেখে শিশু রাহাত বাড়িতে গিয়ে খবর দেয়। সে জানায়, তার বাবা নদীতে ডুব দিয়ে আর উঠছে না।আরও পড়ুন: জমি চাষ দিতে গিয়ে ট্রাক্টর উল্টে পদ্মা নদীতে, চালকের মৃত্যুখবর পেয়ে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত নদীর পাড়ে ছুটে যান। পরে নদীতে মাছ ধরার জাল ফেলে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তারা। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর জাল দিয়ে জুলহাস মন্ডলের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়।নিহত জুলহাস মন্ডলের ভাতিজা সুমন বলেন, 'আমার চাচা প্রতিদিনের মতোই এই নদীতে ঘোড়াকে গোসল করাতে নিয়ে যেতেন। গতকালও চাচাতো ভাই রাহাতকে নদীর তীরে রেখে ঘোড়ার সাথে নিজে নদীতে ডুব দেন। কিন্তু ঘোড়া তীরে উঠলেও চাচা আর উঠেন নাই। আমরা খবর পেয়ে প্রায় এক ঘণ্টা জাল দিয়ে খোঁজাখুঁজি করে চাচার মরদেহ উদ্ধার করি।'
Go to News Site