Collector
দেশে ফেরার ছয়দিন আগে সড়কে প্রাণ গেলো ওমান প্রবাসীর | Collector
দেশে ফেরার ছয়দিন আগে সড়কে প্রাণ গেলো ওমান প্রবাসীর
Jagonews24

দেশে ফেরার ছয়দিন আগে সড়কে প্রাণ গেলো ওমান প্রবাসীর

মীর মাহফুজ আনাম, মাস্কাট (ওমান) থেকে আর মাত্র কয়েকদিন পরই দেশে ফেরার কথা ছিল। চার বছর পর পরিবারের কাছে ফিরবেন, সেই আনন্দে মা, বোন ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানতে চাইছিলেন কার জন্য কী নিয়ে যাবেন। মা খুরশিদা বেগমের উত্তর ছিল, তুমি সুস্থভাবে ফিরে আসো, আর কিছু লাগবে না। আর একমাত্র ভাগনী বলেছিল, মামা, আমার জন্য চকলেট নিয়ে আসবেন। সেই চকলেট কিনতেই বের হয়েছিলেন ওমান প্রবাসী শহিদুল ইসলাম (৪৫)। কিন্তু আর ঘরে ফেরা হলো না। দেশে ফেরার আগেই সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরে গেলো প্রাণ। গতকাল শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় ওমানের বেরুমি শহরে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, আগামী শুক্রবার রাতে শহিদুল ইসলামের দেশে ফেরার টিকিট কাটা ছিল। এজন্য তিনি নিজের স্পন্সরের কাছ থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করে পাশের লুলু হাইপারমার্কেটে ভাগনীর জন্য চকলেট কিনতে যান। কেনাকাটা শেষে বাসায় ফেরার উদ্দেশ্যে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকাকালে একটি বেপরোয়া গাড়ি তাকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। আরও পড়ুনসীমান্ত হত্যা-পুশ-ইন ইস্যুতে নয়াদিল্লিকে বার্তা দেবে বিজিবি টেকসই জ্বালানি নিশ্চিতে সহায়ক সৌরবিদ্যুৎ, প্রয়োজন সরকারি উদ্যোগ  ঘাতক গাড়িটির চালক মিশরের একজন নাগরিক। দুর্ঘটনার পর তাকে আটক করেছে ওমান পুলিশ। নিহত শহিদুল ইসলাম চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়নের জমাদার গ্রামের মরহুম মুহাম্মদ মিয়ার ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ওমানে বসবাস করছিলেন এবং বেরুমি শহরে একটি টেইলার্সের ব্যবসা পরিচালনা করতেন। নিহতের ছোট ভাই আজাদ বলেন, চার বছর পর দেশে ফেরার জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিলেন ভাই। তার ফেরার খবরে পুরো পরিবার আনন্দে ছিল। হঠাৎ এমন খবর মেনে নিতে পারছি না। ওমানে বসবাসরত তার মামা আনোয়ার হোসেন জানান, দুর্ঘটনার পর মরদেহ বেরুমি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কেএসআর/

Go to News Site