Collector
ফাঁকা বাসায় পিৎজা ডেলিভারি দিতে গিয়ে গুলিতে ভারতীয় যুবক নিহত | Collector
ফাঁকা বাসায় পিৎজা ডেলিভারি দিতে গিয়ে গুলিতে ভারতীয় যুবক নিহত
Somoy TV

ফাঁকা বাসায় পিৎজা ডেলিভারি দিতে গিয়ে গুলিতে ভারতীয় যুবক নিহত

যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ায় পিৎজা ডেলিভারি দিতে গিয়ে গুলিতে অংশুল কুঞ্চা (২৮) নামে এক ভারতীয় যুবক নিহত হয়েছেন। তবে পরিবারের দাবি, পরিকল্পিতভাবে পিৎজার অর্ডারকে টোপ হিসেবে ব্যবহার করে অংশুলকে হত্যার ফাঁদে ফেলা হয়েছিল।রোববার (৭ জুন) সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত অংশুল ভারতের তেলেঙ্গানার বাসিন্দা ছিলেন। অতিরিক্ত আয়ের জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্রে একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে খণ্ডকালীন পিৎজা ডেলিভারি কর্মী হিসেবে কাজ করতেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার রাতে উত্তর ফিলাডেলফিয়ার এডগলি স্ট্রিটের একটি আবাসিক ভবনে পিৎজা ডেলিভারির অর্ডার পান অংশুল। সেখানে পৌঁছে ডেলিভারি দেয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকরা রাত প্রায় ১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আরও পড়ুন: ভারতীয় যুবকের ছুরিকাঘাতে ব্রিটিশ কিশোর নিহত, ভুক্তভোগীকেই হাতকড়া পরিয়ে রেখেছিল পুলিশ! তদন্তে জানা গেছে, যে ফ্ল্যাটে পিৎজা পৌঁছে দিতে গিয়েছিলেন অংশুল, সেটি ছিল ফাঁকা। এছাড়া ভবনের নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, অংশুল ভবনে প্রবেশের সময় দুজন ব্যক্তি তাকে অনুসরণ করছিল। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনটি ব্যবহৃত গুলির খোল উদ্ধার করেছে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক ধারণা, খুব কাছ থেকে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছিল। পরে তার গাড়িটিও উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। হামলাকারীদের শনাক্তে তদন্ত ও তল্লাশি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আরও পড়ুন: সৌদিতে ৩৪ কোটির ‘ব্লাড মানি’তে প্রাণে বাঁচলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ভারতীয় যুবক এদিকে, নিউইয়র্কে অবস্থিত ভারতীয় কনস্যুলেট অংশুলের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে। এক বিবৃতিতে জানানো হয়, নিহতের পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেয়া হবে। অন্যদিকে, অংশুলের পরিবারের অভিযোগ—এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। নিহতের বোন তানভি বলেন, অংশুল প্রায় চার বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন এবং কারও সঙ্গে তার শত্রুতা ছিল বলে পরিবারের জানা নেই। তিনি বলেন, ‘সে খুবই হাসিখুশি মানুষ ছিল। কেন তাকে হত্যা করা হলো, তার দ্রুত তদন্ত চাই।’ একইসঙ্গে ভাইয়ের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

Go to News Site