Collector
Giriş Yap
ধর্মঘটে অচল পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ | Collector
ধর্মঘটে অচল পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ

ধর্মঘটে অচল পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ

নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি নাগরিক জোটের ডাকা সাধারণ ধর্মঘটকে ঘিরে পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের বিভিন্ন শহর ও জনপদ কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। ধর্মঘটের আগে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাজধানী মুজাফফারাবাদসহ বিভিন্ন এলাকায় রাস্তাঘাট প্রায় জনশূন্য। দিনের বেশিরভাগ সময় শুধু পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়। এর আগে রোববার রাতে রাওয়ালাকোট শহরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষে অন্তত ১১ জন নিহত হন। এরপর থেকেই কর্তৃপক্ষ ব্যাপক ধরপাকড় অভিযান শুরু করে। আঞ্চলিক সরকার নিষিদ্ধ ঘোষিত জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কিমিটির চার শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করার নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি তাদের গ্রেফতারে ১ কোটি পাকিস্তানি রুপি পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছে। গত শুক্রবার সংগঠনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়। জেএএসি ২৭ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য কাশ্মীর আইনসভা নির্বাচনে শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত ১২টি আসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ধর্মঘটের ডাক দেয়। এসব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এমন প্রার্থীরা, যারা কাশ্মীরে বসবাস না করে পাকিস্তানের অন্য অঞ্চলে থাকেন। মুজাফফারাবাদের বাসিন্দা জাহিদ আমিন বলেন, প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষের শহর মুজাফরাবাদ পুরোপুরি জনশূন্য ও প্রাণহীন হয়ে পড়েছে। সব দোকানপাট, বাজার, অলিগলি ও বাণিজ্যিক এলাকা বন্ধ রয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এক বিবৃতিতে বলেছে, পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে বিক্ষোভ দমনে সহিংস অভিযান, ইন্টারনেট বন্ধ, নির্বিচারে গ্রেফতার এবং প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ মানবাধিকার পরিস্থিতির উদ্বেগজনক অবনতির ইঙ্গিত দেয়। তবে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং কাশ্মীরের আঞ্চলিক প্রশাসন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। মুজাফাফরাবাদের আরেক বাসিন্দা মোহাম্মদ আজিজ বলেন, ভাইয়ের মতো বসে আলোচনা করা উচিত। পাকিস্তান থেকে জ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের এনে তাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। তারা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নয়, তারা শুধু নিজেদের অধিকার চাইছে। হিমালয় অঞ্চলের বিতর্কিত ভূখণ্ড কাশ্মীর ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতার পর থেকেই ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিভক্ত রয়েছে। গত দুই বছরেও জেএএসি’র নেতৃত্বে আটা ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছিল। তখনও বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। সূত্র: রয়টার্স এমএসএম

Go to News Site