Collector
Giriş Yap
দেশে ফিরেছেন ৪৮ হাজার ৪০৩ জন হাজি, ইন্তেকাল ৪৯ | Collector
দেশে ফিরেছেন ৪৮ হাজার ৪০৩ জন হাজি, ইন্তেকাল ৪৯

দেশে ফিরেছেন ৪৮ হাজার ৪০৩ জন হাজি, ইন্তেকাল ৪৯

পবিত্র হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ৪৮ হাজার ৪০৩ জন বাংলাদেশি হাজি। ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম চলমান থাকলেও এ পর্যন্ত সৌদি আরবে ৪৯ জন হজযাত্রীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৯ জুন (সৌদি সময়) পর্যন্ত দেশে ফেরা হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৩ হাজার ৯১৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪৪ হাজার ৪৮৮ জন। মৃত ৪৯ হাজির মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ ও ১৬ জন নারী। তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৫ জন, মদিনায় ১৩ জন এবং জেদ্দায় একজন মৃত্যুবরণ করেছেন। ফিরতি যাত্রী পরিবহনে শীর্ষে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। সংস্থাটি এখন পর্যন্ত ১৯ হাজার ৮৩২ জন হাজিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এছাড়া সৌদি এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ফিরেছেন ১৮ হাজার ১২১ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ৭ হাজার ৭০০ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ২ হাজার ৭৫০ জন হাজি। হাজিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে এ পর্যন্ত মোট ১১২টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালনা করেছে ৪৮টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৪৫টি এবং ফ্লাইনাস ১৯টি ফ্লাইট। আরও পড়ুন: ঘন ঘন ভূমিকম্প কি কিয়ামতের আলামত? স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের আওতায় সৌদি আরবে বাংলাদেশি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো থেকে এখন পর্যন্ত ৬০ হাজার ৭২৮টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে ২৭ হাজার ১০২টি সেবা। এদিকে সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৪০১ জন বাংলাদেশি হাজি। বর্তমানে ৯ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে আন-নুর হাসপাতালে একজন, কিং আব্দুল্লাহ মেডিক্যাল সিটি হাসপাতালে একজন, আবির গ্রুপ (সৌদি ন্যাশনাল হাসপাতাল, আজিজিয়া) হাসপাতালে পাঁচজন এবং কিং আব্দুল আজিজ হাসপাতালে দুজন ভর্তি আছেন। উল্লেখ্য, চলতি বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে। বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। হাজিদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে। শেষ ফিরতি ফ্লাইট নির্ধারিত রয়েছে আগামী ৩০ জুন। হজযাত্রীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

Go to News Site